ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের তৃতীয় দিন রোববারও গাজায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, নিহত ১০৮

ঈদুল আজহায় থেমে নেই ইসরায়েলি আগ্রাসন। একের পর এক গাজার শহরে দখলদারদের বোমা পড়ছে। এতে গাজার হাসপাতালগুলোতে নতুন করে লাশের স্তূপ হয়ে গেছে। আহতদের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে আকাশ-বাতাস।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদের তৃতীয় দিন রোববারও (৮ জুন) গাজায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে বিভিন্ন স্থান থেকে নিহতের খবর আসছে। গাজায় শুক্রবার ঈদুল আজহা পালিত হয়।

রোববার (৮ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৮টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। একই সময়ে ৩৯৩ আহতকে হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষমতা হাসপাতালগুলোর নেই।

নতুন নিহতের ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের গণহত্যার যুদ্ধে কমপক্ষে ৫৪,৮৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় ইসরায়েলি আক্রমণে মোট আহতের সংখ্যা ১,২৬,২২৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অনেক ভুক্তভোগী এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়েছেন। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গত ১৮ মার্চ গাজা উপত্যকায় পুনরায় আক্রমণ শুরু করে। তখন থেকে ৪,৬০৩ জনকে হত্যা এবং ১৪,১৮৬ জনকে আহত করেছে তারা। জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় চুক্তি ভেঙে দেওয়ার পর গাজায় হামলার তীব্রতা আরও বেড়েছে।

ফিলিস্তিন সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসেল জানান, গাজা সিটির বিভিন্ন এলাকায় কোনোরকম সতর্কতা বা আগাম ঘোষণা ছাড়াই ভবনে হামলা চালানো হচ্ছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা … একটি বেসামরিক লোকজনভর্তি ভবন ধ্বংস করে দেওয়া অবশ্যই গণহত্যা।

Tag :

ঈদের তৃতীয় দিন রোববারও গাজায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, নিহত ১০৮

Update Time : ০৩:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

ঈদুল আজহায় থেমে নেই ইসরায়েলি আগ্রাসন। একের পর এক গাজার শহরে দখলদারদের বোমা পড়ছে। এতে গাজার হাসপাতালগুলোতে নতুন করে লাশের স্তূপ হয়ে গেছে। আহতদের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে আকাশ-বাতাস।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদের তৃতীয় দিন রোববারও (৮ জুন) গাজায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে বিভিন্ন স্থান থেকে নিহতের খবর আসছে। গাজায় শুক্রবার ঈদুল আজহা পালিত হয়।

রোববার (৮ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৮টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। একই সময়ে ৩৯৩ আহতকে হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষমতা হাসপাতালগুলোর নেই।

নতুন নিহতের ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের গণহত্যার যুদ্ধে কমপক্ষে ৫৪,৮৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় ইসরায়েলি আক্রমণে মোট আহতের সংখ্যা ১,২৬,২২৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অনেক ভুক্তভোগী এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়েছেন। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গত ১৮ মার্চ গাজা উপত্যকায় পুনরায় আক্রমণ শুরু করে। তখন থেকে ৪,৬০৩ জনকে হত্যা এবং ১৪,১৮৬ জনকে আহত করেছে তারা। জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় চুক্তি ভেঙে দেওয়ার পর গাজায় হামলার তীব্রতা আরও বেড়েছে।

ফিলিস্তিন সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসেল জানান, গাজা সিটির বিভিন্ন এলাকায় কোনোরকম সতর্কতা বা আগাম ঘোষণা ছাড়াই ভবনে হামলা চালানো হচ্ছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা … একটি বেসামরিক লোকজনভর্তি ভবন ধ্বংস করে দেওয়া অবশ্যই গণহত্যা।