ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৫৫ শিশু রামিসা হত্যা: সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ আগামীকাল ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী সিরিক দ্বীপে হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইআরজিসি এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩১ মে ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১ জুন ২০২৬ দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার ত্রিমুখী কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ক্যানসারের নতুন ইনজেকশন রোগীর টিউমার পুরোপুরিই নির্মূল করতে সক্ষম দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

এক জেলার গাড়ি অন্য জেলায় যাবে না, কর্মস্থলেই থাকতে হবে

করোনা সংক্রমণের দিক থেকে বাংলাদেশ যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে আছে। একারণে আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার অবস্থান নিয়েছে সরকার। এ কারণে লকডাউন তুলে না নিয়ে তা বাড়ানোর আদেশ জারি করা হয়েছে। চলমান লকডাউন বা আরোপিত বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

তবে এই সময়ে চলমান লকডাউনের কৌশল পরিবর্তন করেছে সরকার। তিন দিনের ঈদের ছুটির দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার পড়লেও বাড়ানো হয়নি এ ছুটি। শুধু তাই নয়, সরকারি-বেসরকারি কলকারখানা কোনও প্রতিষ্ঠানও সরকার নির্ধারিত তিন দিনের ছুটি বাড়িয়ে ভোগ করতে পারবে না।

এখানেই শেষ নয়, ঈদের ছুটি তিন দিন নিজ নিজ কর্মস্থলের বাইরে না যাওয়ার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিকালীন তিনদিন স্ব স্ব কর্মস্থলে থাকা আবশ্যিক। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিতে বাধ্যতামূলকভাবে কর্মস্থলে থাকতে হবে।

পাশাপাশি বিক্ষোভ, দাবি-দাওয়া নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে আন্তঃজেলা বাস সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, এক জেলার গাড়ি অন্য জেলায় যেতে পারবে না। আর সীমানা জটিলতায় ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাস্ক না পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টে সাজাও দেওয়া যাবে। মার্কেট বা শপিংমল স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত আদেশ না মানলে তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোনও ছাড় নয়। এসব কঠোর বিধিনিষেধ আগের আদেশে ছিল না।

আরও বাড়তে পারে লকডাউন

ভারতের নতুর ধরনের করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিধায় সেদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আকাশ, স্থল ও নৌ সব সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে সংক্রমণের হার কিছুটা কমতে শুরু করেছে। সংক্রমণের হার কমার এই শুরুটা ধরে রাখতে না পারলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে। তখন আর কোনও  লকডাউনে কাজ হবে না বলে মনে করেন সরকার সংশ্লিষ্টরা। এ কারণে চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘আমরা এখনও ঝুঁকিতে রয়েছি। কবে নাগাদ ঝঁকিমুক্ত হবো তা নিশ্চিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে সব কিছু স্বাভাবিক করে দেওয়া কতোখানি যুক্তিযুক্ত হবে তা নিয় চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। কোনও কিছুই চূড়ান্ত করা হয়নি। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। ভারতের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের করণীয় ঠিক করতে হবে। মানুষের সংক্রমণ ও মুত্যু তো ঠেকাতে হবে।’

Tag :

ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ

এক জেলার গাড়ি অন্য জেলায় যাবে না, কর্মস্থলেই থাকতে হবে

Update Time : ০৯:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

করোনা সংক্রমণের দিক থেকে বাংলাদেশ যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে আছে। একারণে আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার অবস্থান নিয়েছে সরকার। এ কারণে লকডাউন তুলে না নিয়ে তা বাড়ানোর আদেশ জারি করা হয়েছে। চলমান লকডাউন বা আরোপিত বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

তবে এই সময়ে চলমান লকডাউনের কৌশল পরিবর্তন করেছে সরকার। তিন দিনের ঈদের ছুটির দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার পড়লেও বাড়ানো হয়নি এ ছুটি। শুধু তাই নয়, সরকারি-বেসরকারি কলকারখানা কোনও প্রতিষ্ঠানও সরকার নির্ধারিত তিন দিনের ছুটি বাড়িয়ে ভোগ করতে পারবে না।

এখানেই শেষ নয়, ঈদের ছুটি তিন দিন নিজ নিজ কর্মস্থলের বাইরে না যাওয়ার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিকালীন তিনদিন স্ব স্ব কর্মস্থলে থাকা আবশ্যিক। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিতে বাধ্যতামূলকভাবে কর্মস্থলে থাকতে হবে।

পাশাপাশি বিক্ষোভ, দাবি-দাওয়া নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে আন্তঃজেলা বাস সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, এক জেলার গাড়ি অন্য জেলায় যেতে পারবে না। আর সীমানা জটিলতায় ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাস্ক না পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টে সাজাও দেওয়া যাবে। মার্কেট বা শপিংমল স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত আদেশ না মানলে তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোনও ছাড় নয়। এসব কঠোর বিধিনিষেধ আগের আদেশে ছিল না।

আরও বাড়তে পারে লকডাউন

ভারতের নতুর ধরনের করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিধায় সেদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আকাশ, স্থল ও নৌ সব সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে সংক্রমণের হার কিছুটা কমতে শুরু করেছে। সংক্রমণের হার কমার এই শুরুটা ধরে রাখতে না পারলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে। তখন আর কোনও  লকডাউনে কাজ হবে না বলে মনে করেন সরকার সংশ্লিষ্টরা। এ কারণে চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘আমরা এখনও ঝুঁকিতে রয়েছি। কবে নাগাদ ঝঁকিমুক্ত হবো তা নিশ্চিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে সব কিছু স্বাভাবিক করে দেওয়া কতোখানি যুক্তিযুক্ত হবে তা নিয় চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। কোনও কিছুই চূড়ান্ত করা হয়নি। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। ভারতের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের করণীয় ঠিক করতে হবে। মানুষের সংক্রমণ ও মুত্যু তো ঠেকাতে হবে।’