ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক শেখ শামসুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা: বাংলা একাডেমি থেকে মরণোত্তর সম্মাননার দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ব্যতীত আন্দোলন থামবে না: ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা চীন বা রাশিয়া যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, সেটি তাদের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে: ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৫ জুলাই ২০২৬ দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র অধিকৃত পশ্চিম তীরের গাজার মতো সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী

করোনার জন্য বোস্টার ডোজ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৩৩৪ Time View
করোনার জন্য বোস্টার ডোজ (তৃতীয় ডোজ) নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে গিয়ে তিনি করোনার তৃতীয় ডোজ টিকা নেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। টিকা নেওয়ার সময় শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের সামনে বিএনপির কয়েকশ নেতাকর্মীকে দেখা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আমিনুল হক, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, মামুন হাসান, শফিকুল ইসলাম মিল্টন প্রমুখ।
ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এর আগে মডার্নার টিকা নিয়েছিলেন। এবার তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন ফাইজারের।
এর আগে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী গত বছরের ১৮ আগস্ট করোনাভাইরাসের মডার্নার তৈরি দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন। তারও এক মাস আগে গত বছর ১৯ জুলাই তিনি প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন।
গত বছরের ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা পজিটিভ হওয়ার চার দিন পর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিটিস্ক্যান করা হয়। পরে ২৭ এপ্রিল রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯ জুন তিনি বাসায় ফেরেন। জ্বর আসার পর ১২ অক্টোবর আবার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সময় তার হাতে (লাম্ব) ছোট টিউমার ধরা পড়ে। সেটি অপারেশন করা হয়। ৭ নভেম্বর তিনি বাসায় ফেরেন।
৬ দিনের মাথায় গত বছরের ১৩ নভেম্বর রাতে আবারও তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় পরের দিন ভোরে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তার। দীর্ঘ ৮০ দিন এভারকেয়ার হাসপাতালে থাকার পর ৮১তম দিনে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে তাকে বাসায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় অবস্থান করছেন।
জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ একেবারে নিয়ন্ত্রণে এলে ফের চেকআপের জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে। আপাতত বাসায় চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকবেন। বাসায় যে কক্ষে খালেদা জিয়া বিশ্রামে আছেন, সেখানে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ যাচ্ছেন না। বোন সেলিমা ইসলাম মাঝে মাঝে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাচ্ছেন।
Tag :
জনপ্রিয়

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস

করোনার জন্য বোস্টার ডোজ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

Update Time : ০৪:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
করোনার জন্য বোস্টার ডোজ (তৃতীয় ডোজ) নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে গিয়ে তিনি করোনার তৃতীয় ডোজ টিকা নেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। টিকা নেওয়ার সময় শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের সামনে বিএনপির কয়েকশ নেতাকর্মীকে দেখা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আমিনুল হক, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, মামুন হাসান, শফিকুল ইসলাম মিল্টন প্রমুখ।
ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এর আগে মডার্নার টিকা নিয়েছিলেন। এবার তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন ফাইজারের।
এর আগে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী গত বছরের ১৮ আগস্ট করোনাভাইরাসের মডার্নার তৈরি দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন। তারও এক মাস আগে গত বছর ১৯ জুলাই তিনি প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন।
গত বছরের ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা পজিটিভ হওয়ার চার দিন পর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিটিস্ক্যান করা হয়। পরে ২৭ এপ্রিল রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯ জুন তিনি বাসায় ফেরেন। জ্বর আসার পর ১২ অক্টোবর আবার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সময় তার হাতে (লাম্ব) ছোট টিউমার ধরা পড়ে। সেটি অপারেশন করা হয়। ৭ নভেম্বর তিনি বাসায় ফেরেন।
৬ দিনের মাথায় গত বছরের ১৩ নভেম্বর রাতে আবারও তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় পরের দিন ভোরে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তার। দীর্ঘ ৮০ দিন এভারকেয়ার হাসপাতালে থাকার পর ৮১তম দিনে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে তাকে বাসায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় অবস্থান করছেন।
জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ একেবারে নিয়ন্ত্রণে এলে ফের চেকআপের জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে। আপাতত বাসায় চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকবেন। বাসায় যে কক্ষে খালেদা জিয়া বিশ্রামে আছেন, সেখানে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ যাচ্ছেন না। বোন সেলিমা ইসলাম মাঝে মাঝে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাচ্ছেন।