ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৫০০

কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে ২৬৫ জনে পৌঁছেছে। এ ভয়াবহ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ এবং এখনও প্রায় ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১২ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে জীবন বাঁচানোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় বিবেচনা করে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে বিরতিহীন অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। কঙ্কালসার ভবনের ধ্বংসস্তূপে প্রাণের সন্ধান পেতে ব্যবহার করা হচ্ছে ভারী যন্ত্রপাতি, ক্রেন ও প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ। সরকারি রেসকিউ টিমের সঙ্গে উদ্ধারকাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় হাজারো স্বেচ্ছাসেবী।

এদিকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাজার হাজার আহতের জন্য দেশেজুড়ে শুরু হয়েছে জরুরি রক্তদান কর্মসূচি। অসংখ্য সাধারণ মানুষ রক্ত দিতে হাসপাতালের সামনে ভিড় করছেন।

অন্যদিকে বসতবাড়ি ধ্বংস হওয়ায় এবং ক্রমাগত আফটারশকের (অনুকম্পন) আতঙ্কে হাজার হাজার মানুষ তীব্র শীত ও খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। আফটারশকের ভয়ে অক্ষত ভবনেও ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

Tag :

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৫০০

Update Time : ০৫:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে ২৬৫ জনে পৌঁছেছে। এ ভয়াবহ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ এবং এখনও প্রায় ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১২ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে জীবন বাঁচানোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় বিবেচনা করে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে বিরতিহীন অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। কঙ্কালসার ভবনের ধ্বংসস্তূপে প্রাণের সন্ধান পেতে ব্যবহার করা হচ্ছে ভারী যন্ত্রপাতি, ক্রেন ও প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ। সরকারি রেসকিউ টিমের সঙ্গে উদ্ধারকাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় হাজারো স্বেচ্ছাসেবী।

এদিকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাজার হাজার আহতের জন্য দেশেজুড়ে শুরু হয়েছে জরুরি রক্তদান কর্মসূচি। অসংখ্য সাধারণ মানুষ রক্ত দিতে হাসপাতালের সামনে ভিড় করছেন।

অন্যদিকে বসতবাড়ি ধ্বংস হওয়ায় এবং ক্রমাগত আফটারশকের (অনুকম্পন) আতঙ্কে হাজার হাজার মানুষ তীব্র শীত ও খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। আফটারশকের ভয়ে অক্ষত ভবনেও ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।