সরকারের শর্ত মেনেই ২৫ শতাংশ শুল্ককর দিয়ে ৩৭০ থেকে ৪২৫ ডলারের মধ্যে প্রতি মেট্রিক টন চাল আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কিছুটা কমেছে আমদানি। নতুন আমদানির অনুমিত না পাওয়ায় প্রকারভেদে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে দেড় থেকে দুই টাকা।
তবে নতুন করে করোনার সংক্রমণ শুরুর পর সারা দেশে চলছে কঠোর বিধিনিষেধ। এরমধ্যে ব্যবসায়ীরা নতুন করে আমদানির অনুমতি না পাওয়ায়, প্রভাব পড়েছে বাজারে।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বলেন, ‘কয়েকদিন থেকেই আমরা দেখছি কেজিতে দুই এক টাকা বাড়ছে। অনেকেই লকডাউনের কারণে আতঙ্কিত থাকায় বাড়তি চাল ক্রয় করছে বলেই এমনটা ঘটছে।’
কঠোর বিধিনিষেধের প্রভাবে কয়েকদিনের ব্যবধানে স্বর্ণা চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৩ থেকে ৪৪ টাকায়। আটাস চাল ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায় আর সম্পা কাটারি ১ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৬ টাকায়।
হিলি পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের গণসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাপ বলেন, ‘বিগত দিনের থেকে চাল আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে আসছে।’
হিলি স্থলবন্দর কাষ্টমস সূত্রে জানা যায়, গেল ৯ই জানুয়ারি থেকে ১৩ই এপ্রিল পর্যন্ত ৩ মাসে হিলিবন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৫ মেট্রিক টন। সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১২৯ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
অনলাইন ডেস্ক 
























