ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক শেখ শামসুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা: বাংলা একাডেমি থেকে মরণোত্তর সম্মাননার দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ব্যতীত আন্দোলন থামবে না: ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা চীন বা রাশিয়া যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, সেটি তাদের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে: ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৫ জুলাই ২০২৬ দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র

ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ করতে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধু হলেও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তাদের অনুরোধ করতে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দলের বা সরকারের নয়। এটি তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুদেশ, ভারতের সাথে আমরা বৈরিতা চাই না। ভারতের সাথে বৈরিতা করে পঁচাত্তরের পর আমাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। যে সংশয়-অবিশ্বাসের সম্পর্ক, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর সে অবিশ্বাস-সংশয়ের দেয়াল ভেঙে দিয়েছেন।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শুক্রবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর পলাশী মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে, শেখ হাসিনার সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবে আমি বলতে চাই, ভারত আমাদের সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। ভারত আমাদের সুসময়ের বন্ধু। একাত্তরের রক্তের বন্ধনে আমরা আবদ্ধ। কিন্তু তাই বলে আমরা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ করব, এ ধরনের কোনো অনুরোধ আওয়ামী লীগ করে না, করেনি। শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে দায়িত্বও দেয়া হয়নি।’

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সাথে চমৎকার সম্পর্ক বিরাজমান। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বসে বহু দিনের সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। কয়েকটি সমস্যার অগ্রগতি আসবে। সেপ্টেম্বরে আরো কিছু বিষয়ে সমাধান হবে।

শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোনো সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সরকার, এই সরকার সংখ্যালঘু-বান্ধব সরকার।’

ইদানীং যারা মন্দিরে হামলা করে, তারা দলের নয়, দুর্বৃত্ত। তারা সবার শত্রু। এদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না। সমান অধিকার আছে আপনাদের। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক বিএনপি। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের মুখে মায়াকান্না মানায় না। আমরা আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি, থাকব।’

সূত্র : বাসস

Tag :
জনপ্রিয়

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ করতে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি: ওবায়দুল কাদের

Update Time : ০৬:০৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধু হলেও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তাদের অনুরোধ করতে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দলের বা সরকারের নয়। এটি তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুদেশ, ভারতের সাথে আমরা বৈরিতা চাই না। ভারতের সাথে বৈরিতা করে পঁচাত্তরের পর আমাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। যে সংশয়-অবিশ্বাসের সম্পর্ক, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর সে অবিশ্বাস-সংশয়ের দেয়াল ভেঙে দিয়েছেন।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শুক্রবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর পলাশী মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে, শেখ হাসিনার সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবে আমি বলতে চাই, ভারত আমাদের সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। ভারত আমাদের সুসময়ের বন্ধু। একাত্তরের রক্তের বন্ধনে আমরা আবদ্ধ। কিন্তু তাই বলে আমরা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ করব, এ ধরনের কোনো অনুরোধ আওয়ামী লীগ করে না, করেনি। শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে দায়িত্বও দেয়া হয়নি।’

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সাথে চমৎকার সম্পর্ক বিরাজমান। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বসে বহু দিনের সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। কয়েকটি সমস্যার অগ্রগতি আসবে। সেপ্টেম্বরে আরো কিছু বিষয়ে সমাধান হবে।

শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোনো সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সরকার, এই সরকার সংখ্যালঘু-বান্ধব সরকার।’

ইদানীং যারা মন্দিরে হামলা করে, তারা দলের নয়, দুর্বৃত্ত। তারা সবার শত্রু। এদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না। সমান অধিকার আছে আপনাদের। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক বিএনপি। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের মুখে মায়াকান্না মানায় না। আমরা আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি, থাকব।’

সূত্র : বাসস