ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলছে ঢাবির আবাসিক হল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১
  • ৪৫০ Time View
অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষার্থীদের জন্য মার্চের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল আংশিকভাবে খোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী  এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হল খোলার বিষয়ে প্রভোস্ট কমিটি সুপারিশ করেছে। সুপারিশটি হলো- স্নাতক শেষ বর্ষ এবং মাস্টার্স শেষ পর্বের হলে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহে হলসমূহ প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। সবার জন্য হল উন্মুক্ত করা হয়নি। শুধু যাদের পরীক্ষা, তারা হলে থাকতে পারবে।

ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, শুরুতে মাস্টার্সের পরীক্ষার্থীদের হলে তোলা হবে। পরে স্নাতক শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থীদের হলে উঠানো হবে। এর মধ্যে হল পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সীমিত আকারে মেস বা ক্যান্টিনে লোকবল থাকবে। ছাত্ররা সবসময় তাদের প্রবেশপত্র ও আইডি কার্ড সঙ্গে রাখবে। পরীক্ষার্থী ব্যতিত কেউ হলে প্রবেশ করতে পারবে না।

তিনি বলেন মার্চের প্রথম সপ্তাহে অবস্থা গ্রহণের জন্য একটা প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু করেছি। আর এর তিনটি কারণ শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতির জন্য আগে থেকেই তথ্য দেওয়া, হলের ভেতরে যে আবশ্যিকতার যতগুলো বিষয় আছে সেগুলো সংযুক্ত করা এবং এটা নির্ভর করবে করোনার সংক্রমণ নিম্নগামী হওয়ার ওপর।
Tag :
জনপ্রিয়

খুলছে ঢাবির আবাসিক হল

Update Time : ০৫:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১
অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষার্থীদের জন্য মার্চের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল আংশিকভাবে খোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী  এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হল খোলার বিষয়ে প্রভোস্ট কমিটি সুপারিশ করেছে। সুপারিশটি হলো- স্নাতক শেষ বর্ষ এবং মাস্টার্স শেষ পর্বের হলে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহে হলসমূহ প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। সবার জন্য হল উন্মুক্ত করা হয়নি। শুধু যাদের পরীক্ষা, তারা হলে থাকতে পারবে।

ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, শুরুতে মাস্টার্সের পরীক্ষার্থীদের হলে তোলা হবে। পরে স্নাতক শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থীদের হলে উঠানো হবে। এর মধ্যে হল পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সীমিত আকারে মেস বা ক্যান্টিনে লোকবল থাকবে। ছাত্ররা সবসময় তাদের প্রবেশপত্র ও আইডি কার্ড সঙ্গে রাখবে। পরীক্ষার্থী ব্যতিত কেউ হলে প্রবেশ করতে পারবে না।

তিনি বলেন মার্চের প্রথম সপ্তাহে অবস্থা গ্রহণের জন্য একটা প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু করেছি। আর এর তিনটি কারণ শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতির জন্য আগে থেকেই তথ্য দেওয়া, হলের ভেতরে যে আবশ্যিকতার যতগুলো বিষয় আছে সেগুলো সংযুক্ত করা এবং এটা নির্ভর করবে করোনার সংক্রমণ নিম্নগামী হওয়ার ওপর।