ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রকে আবারও হুমকির মুখে ফেলার চক্রান্ত চলছে: মির্জা ফখরুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৪ Time View

১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং দেশপ্রেমিক মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আধিপত্যবাদের চক্রান্তকে বানচাল করে দিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী থেকে উদ্ধার করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, এটি ছিল বাংলাদেশ প্রগতির টার্নিং পয়েন্ট। তিনি শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র দেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করেন, জনগণের অধিকার অধিকারকে নিশ্চিত করেন।

বিপ্লব ও সংগতি দিবস উপলক্ষ্যে আজ (শুক্রবার) জাতীয় শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, তার রাষ্ট্র পরিচালনা মাত্র চার বছর মধ্যে বাংলাদেশে একদিকে, রাজনৈতিক অবস্থার, অন্যদিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কার সাধন করেন। একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করেন, জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন এবং একইসঙ্গে মুক্ত বাজার অর্থনীতি চালু করেন। সুখী ও সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ  নিশ্চতকরণের জন্য তিনি যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন পরবর্তীকালে তার ওপর ভিত্তি করেই দেশ সেই দিকে এগিয়ে যায়। সেজন্য আজকের দিনটি শুধু বিএনপির কাছে নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মানুষের কাছে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ।

গণঅভ্যুত্থানের পর আজ বাংলাদেশে বিভিন্ন রকম চক্রান্ত চলছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদেরকে সেই পথেই পরিচালিত করে যে পথে সত্যিকারই গণতান্ত্রিক ও একটা সমৃদ্ধ রাষ্ট্র নির্মাণ করতে পারবো। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত, বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয়

গণতন্ত্রকে আবারও হুমকির মুখে ফেলার চক্রান্ত চলছে: মির্জা ফখরুল

Update Time : ১১:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং দেশপ্রেমিক মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আধিপত্যবাদের চক্রান্তকে বানচাল করে দিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী থেকে উদ্ধার করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, এটি ছিল বাংলাদেশ প্রগতির টার্নিং পয়েন্ট। তিনি শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র দেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করেন, জনগণের অধিকার অধিকারকে নিশ্চিত করেন।

বিপ্লব ও সংগতি দিবস উপলক্ষ্যে আজ (শুক্রবার) জাতীয় শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, তার রাষ্ট্র পরিচালনা মাত্র চার বছর মধ্যে বাংলাদেশে একদিকে, রাজনৈতিক অবস্থার, অন্যদিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কার সাধন করেন। একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করেন, জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন এবং একইসঙ্গে মুক্ত বাজার অর্থনীতি চালু করেন। সুখী ও সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ  নিশ্চতকরণের জন্য তিনি যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন পরবর্তীকালে তার ওপর ভিত্তি করেই দেশ সেই দিকে এগিয়ে যায়। সেজন্য আজকের দিনটি শুধু বিএনপির কাছে নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মানুষের কাছে অত্যন্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ।

গণঅভ্যুত্থানের পর আজ বাংলাদেশে বিভিন্ন রকম চক্রান্ত চলছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদেরকে সেই পথেই পরিচালিত করে যে পথে সত্যিকারই গণতান্ত্রিক ও একটা সমৃদ্ধ রাষ্ট্র নির্মাণ করতে পারবো। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত, বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।