ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে আশ্রয়ণ প্রকল্প- ২-এর আওতায় ৫৩ হাজারের বেশি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে মুজিব শতবর্ষে সারা দেশে গৃহহীনদের জন্য দ্বিতীয় দফায় রবিবার পাকা ঘর প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের বিভিন্ন স্থানের ঘর বিতরণ কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রশাসন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প- ২-এর আওতায় ৫৩ হাজারের বেশি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

ফরিদপুরে নতুন ঘরের স্বপ্নপূরণ হবে ১৫৭২ পরিবারের 
ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে হয়েছে। গতকাল বেলা ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার। সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানান, ফরিদপুর জেলার ৯টি উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৫৭২টি পরিবারে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে। এর মধ্যে ফরিদপুর সদরে ১৫৩, সদরপুরে ৩৭০, সালথায় ২০০, মধুখালীতে ৪০, আলফাডাঙ্গায় ২৩০, বোয়ালমারীতে ১৩০, নগরকান্দায় ১১০, চরভদ্রাসনে ২০০ এবং ভাঙ্গা উপজেলায় ১৩৯টি গৃহ প্রদান করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক কুমার রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসা. তাসলিমা আলী, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।
নীলফামারীতে ১২৫০ পরিবারের স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে
নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলায় ১২৫০টি পরিবারের জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলার নীলফামারী সদরে ২২০, কিশোরগঞ্জে ১৭০, সৈয়দপুরে ৬০, ডোমারে ৩০০, জলঢাকায় ৩০০ ও ডিমলায় ২০০টি গৃহ পাবে ভূমি ও গৃহহীন পরিবার। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, নির্মিত গৃহ সমূহে বিদ্যুৎ সংযোগ ও টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২৫০টির মধ্যে ১০১০টির চাবি ও জমি হস্তান্তর করা হবে।  প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর নীলফামারীতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে ঘরের চাবি ও দলিল হস্তান্তর করা হবে।
রাজশাহীতে নতুন গৃহে উঠবে ৮৫৪ পরিবার
রাজশাহী জেলার বিভিন্ন পেশার ৮৫৪ দরিদ্র ভূমিহীনদের জমিসহ ঘর প্রদান করবে সরকার। রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সভা শেষে এই তথ্য জানান জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল। তিনি সাংবাদিকদের জানান, রাজশাহী জেলার নয়টি উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করবে সরকার। এর মধ্যে জেলার পবায় উপজেলায় বরাদ্দকৃত ঘরের সংখ্যা ৫০টি, মোহনপুরে ৫০টি, গোদাগাড়ীতে ৪০৩টি, তানোরে ১০৫, পুঠিয়ায় ১১০, দুর্গাপুরে ১৪, চারঘাটে ১০, বাঘায় ৩৫ ও বাগমারায় ৭৭। এর আগে প্রথম পর্যায়ে ৬৯২ জনকে ঘর প্রদান করা হয়।
স্বপ্নের ঠিকানার চাবি পাবে নেত্রকোনার ৯২৫ পরিবার
নেত্রকোনার হাওর এলাকাসহ ১০ উপজেলায় স্বপ্নের ঠিকানা জমিসহ সেমিপাকা ঘরের চাবি পাচ্ছে প্রতিবন্ধী, হিজড়াসহ ৯২৫ ছিন্নমূল অসহায় পরিবার। শনিবার সকালে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান এসব কথা জানান। তিনি জানান, জেলার ১০ উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে দুর্গাপুরে ৩৫টি, জেলাসদরে ৪৪টি, বারহাট্টায় ২৫, কলমাকান্দায় ৫০, আটপাড়ায় ৫০, কেন্দুয়ায় ৫৬, মোহনগঞ্জে ৭৫, মদনে ৮০, খালিয়াজুরীতে ৪০০ ও পূর্বধলায় ২০ ঘর প্রদান করা হবে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ঘর প্রতি দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, টয়লেট ও সামনে খোলাবারান্দা রয়েছে। রয়েছে পয়ঃনিষ্কাশন ও বিদ্যুতের ব্যবস্থাও। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জিয়া আহম্মেদ সুমন, পৌরমেয়র আলহাজ নজরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (রাজস্ব) মো. মনির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ,  জেলা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান খানসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাচ্ছে ৬৮১ পরিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দ্বিতীয় ধাপে ৬৮১ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাকা ঘর। জেলার উপজেলা সদরে ১২৫, বিজয়নগরে ১৮৯, সরাইলে ৩১, নবীনগরে ১৫, নাসিরনগরে ৩১, বাঞ্ছারামপুরে ৬০, আশুগঞ্জে ২০, কসবায় ২০০ ও আখাউড়ায় ৫০টি পরিবার পাবেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঘরগুলোর নির্মাণকাজ হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানায়, ভূমিহীন ও গৃহহীনকে দুই শতাংশ জমিসহ ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিদ্যুৎ, সুপেয় পানিসহ বাসযোগ্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রথম ধাপে জেলায় ১ হাজার ৯১টি ভূমি গৃহহীন পরিবারকে দুই শতক জমি ও বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব ভূমি ও গৃহহীনদের এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
কক্সবাজারে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে ১০১৮ পরিবার 
কক্সবাজার  জেলার আট উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে আরো এক হাজার ১৮টি বাড়ি। ইতোমধ্যে এই বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ড. মো. মামুনুর রশীদ জানান, কক্সবাজার জেলায় ‘ক’ শ্রেণির পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দুই পর্যায়ে মোট এক হাজার ৪২৩টি একক ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০৩টি গৃহ প্রথম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। অবশিষ্ট এক হাজার ১২০টি ঘরের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়া এক হাজার ১৮টি (প্রথম পর্যায়ে ৫৬২টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৫৬টি) ঘর উপকারভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। জেলার আট উপজেলার মধ্যে চকরিয়ায় ৪৩০, পেকুয়ায় ৬০, কুতুবদিয়ায় ৩৭, কক্সবাজার সদরে ১৪৮, রামুতে ৩০৫, উখিয়ায় ১৪৫ ও টেকনাফে ২৬২টি বাড়ি।
পঞ্চগড়ে ঘর পাচ্ছে ৭১৫ পরিবার
পঞ্চগড় জেলার পাঁচটি উপজেলায় নতুন করে আরো ৭১৫টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার ঘর পাচ্ছেন। দুপুরে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান পঞ্চগড় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় ৩০০, বোদায় ১৭, দেবীগঞ্জে ১৭৮, আটোয়ারীতে ১১০ এবং তেঁতুলিয়ায় ১১০টি পরিবারকে এ ঘর দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আজাদ জাহান, পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবুসহ ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দে ভাসবে ২২৯৬ পরিবার
দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি ঘর পাচ্ছেন ২ হাজার ২৯৬টি গৃহহীন পরিবার। জেলা প্রশাসকের আয়োজনে জেলা প্রশাসক হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা প্রশাসক জানান, দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁও সদরে ৩০০, পীরগঞ্জে ৫০০, রানীশংকৈলে ২৯৬, বালিয়াডাঙ্গীতে ৮০০ ও হরিপুরে ৪০০টি সুবিধাভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কামরুন নাহান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মণ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাকসুদা আক্তার মাসু, সহকারী ভূমি কমিশনার (সদর) কামরুল হাসান সোহাগ প্রমুখ। এছাড়া জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাপাহারে নতুন ঘরের অপেক্ষায় ৬০ পরিবার
নওগাঁর সাপাহারে দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পরিবারের মধ্যে ঘর হস্তান্তর করা হবে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহরাব হোসেন, উপজেলায় কর্মরত  প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
পোরশায় ঘর পাচ্ছেন ৭১ গৃহহীন পরিবার
নওগাঁয় পোরশায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহারের ঘর পাচ্ছেন ৭১টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার। সকালে নিজ কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হামিদ রেজা সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের পশ্চিম রঘুনাথপুর মৌজায় নির্মিত ৬৭টি ও ছাওড় ইউনিয়নে নির্মিত ৪টি গৃহ হস্তান্তর করা হবে। গৃহগুলোতে প্রবেশ রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও নিতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম শাহ্ চৌধুরী, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক এম রইচ উদ্দিনসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মুকসুদপুরে ১৫০ গৃহহীন পরিবার  ঘর পাচ্ছেন
 গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ১৫০টি গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে জমিসহ ঘর। শনিবার সকালে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষের সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোবায়ের রহমান রাশেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি আসমত হোসেন ভুঁইয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার ফায়জুল ইসলাম প্রমুখ।
Tag :

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে আশ্রয়ণ প্রকল্প- ২-এর আওতায় ৫৩ হাজারের বেশি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে

Update Time : ০৫:০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে মুজিব শতবর্ষে সারা দেশে গৃহহীনদের জন্য দ্বিতীয় দফায় রবিবার পাকা ঘর প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের বিভিন্ন স্থানের ঘর বিতরণ কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রশাসন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প- ২-এর আওতায় ৫৩ হাজারের বেশি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

ফরিদপুরে নতুন ঘরের স্বপ্নপূরণ হবে ১৫৭২ পরিবারের 
ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে হয়েছে। গতকাল বেলা ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার। সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানান, ফরিদপুর জেলার ৯টি উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৫৭২টি পরিবারে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে। এর মধ্যে ফরিদপুর সদরে ১৫৩, সদরপুরে ৩৭০, সালথায় ২০০, মধুখালীতে ৪০, আলফাডাঙ্গায় ২৩০, বোয়ালমারীতে ১৩০, নগরকান্দায় ১১০, চরভদ্রাসনে ২০০ এবং ভাঙ্গা উপজেলায় ১৩৯টি গৃহ প্রদান করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলীমুজ্জামান, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক কুমার রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসা. তাসলিমা আলী, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।
নীলফামারীতে ১২৫০ পরিবারের স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে
নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলায় ১২৫০টি পরিবারের জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলার নীলফামারী সদরে ২২০, কিশোরগঞ্জে ১৭০, সৈয়দপুরে ৬০, ডোমারে ৩০০, জলঢাকায় ৩০০ ও ডিমলায় ২০০টি গৃহ পাবে ভূমি ও গৃহহীন পরিবার। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, নির্মিত গৃহ সমূহে বিদ্যুৎ সংযোগ ও টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২৫০টির মধ্যে ১০১০টির চাবি ও জমি হস্তান্তর করা হবে।  প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর নীলফামারীতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে ঘরের চাবি ও দলিল হস্তান্তর করা হবে।
রাজশাহীতে নতুন গৃহে উঠবে ৮৫৪ পরিবার
রাজশাহী জেলার বিভিন্ন পেশার ৮৫৪ দরিদ্র ভূমিহীনদের জমিসহ ঘর প্রদান করবে সরকার। রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সভা শেষে এই তথ্য জানান জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল। তিনি সাংবাদিকদের জানান, রাজশাহী জেলার নয়টি উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করবে সরকার। এর মধ্যে জেলার পবায় উপজেলায় বরাদ্দকৃত ঘরের সংখ্যা ৫০টি, মোহনপুরে ৫০টি, গোদাগাড়ীতে ৪০৩টি, তানোরে ১০৫, পুঠিয়ায় ১১০, দুর্গাপুরে ১৪, চারঘাটে ১০, বাঘায় ৩৫ ও বাগমারায় ৭৭। এর আগে প্রথম পর্যায়ে ৬৯২ জনকে ঘর প্রদান করা হয়।
স্বপ্নের ঠিকানার চাবি পাবে নেত্রকোনার ৯২৫ পরিবার
নেত্রকোনার হাওর এলাকাসহ ১০ উপজেলায় স্বপ্নের ঠিকানা জমিসহ সেমিপাকা ঘরের চাবি পাচ্ছে প্রতিবন্ধী, হিজড়াসহ ৯২৫ ছিন্নমূল অসহায় পরিবার। শনিবার সকালে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান এসব কথা জানান। তিনি জানান, জেলার ১০ উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে দুর্গাপুরে ৩৫টি, জেলাসদরে ৪৪টি, বারহাট্টায় ২৫, কলমাকান্দায় ৫০, আটপাড়ায় ৫০, কেন্দুয়ায় ৫৬, মোহনগঞ্জে ৭৫, মদনে ৮০, খালিয়াজুরীতে ৪০০ ও পূর্বধলায় ২০ ঘর প্রদান করা হবে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ঘর প্রতি দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, টয়লেট ও সামনে খোলাবারান্দা রয়েছে। রয়েছে পয়ঃনিষ্কাশন ও বিদ্যুতের ব্যবস্থাও। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জিয়া আহম্মেদ সুমন, পৌরমেয়র আলহাজ নজরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (রাজস্ব) মো. মনির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ,  জেলা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান খানসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাচ্ছে ৬৮১ পরিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দ্বিতীয় ধাপে ৬৮১ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাকা ঘর। জেলার উপজেলা সদরে ১২৫, বিজয়নগরে ১৮৯, সরাইলে ৩১, নবীনগরে ১৫, নাসিরনগরে ৩১, বাঞ্ছারামপুরে ৬০, আশুগঞ্জে ২০, কসবায় ২০০ ও আখাউড়ায় ৫০টি পরিবার পাবেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঘরগুলোর নির্মাণকাজ হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানায়, ভূমিহীন ও গৃহহীনকে দুই শতাংশ জমিসহ ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিদ্যুৎ, সুপেয় পানিসহ বাসযোগ্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রথম ধাপে জেলায় ১ হাজার ৯১টি ভূমি গৃহহীন পরিবারকে দুই শতক জমি ও বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব ভূমি ও গৃহহীনদের এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
কক্সবাজারে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে ১০১৮ পরিবার 
কক্সবাজার  জেলার আট উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে আরো এক হাজার ১৮টি বাড়ি। ইতোমধ্যে এই বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ড. মো. মামুনুর রশীদ জানান, কক্সবাজার জেলায় ‘ক’ শ্রেণির পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দুই পর্যায়ে মোট এক হাজার ৪২৩টি একক ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০৩টি গৃহ প্রথম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। অবশিষ্ট এক হাজার ১২০টি ঘরের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়া এক হাজার ১৮টি (প্রথম পর্যায়ে ৫৬২টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৫৬টি) ঘর উপকারভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। জেলার আট উপজেলার মধ্যে চকরিয়ায় ৪৩০, পেকুয়ায় ৬০, কুতুবদিয়ায় ৩৭, কক্সবাজার সদরে ১৪৮, রামুতে ৩০৫, উখিয়ায় ১৪৫ ও টেকনাফে ২৬২টি বাড়ি।
পঞ্চগড়ে ঘর পাচ্ছে ৭১৫ পরিবার
পঞ্চগড় জেলার পাঁচটি উপজেলায় নতুন করে আরো ৭১৫টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার ঘর পাচ্ছেন। দুপুরে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান পঞ্চগড় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় ৩০০, বোদায় ১৭, দেবীগঞ্জে ১৭৮, আটোয়ারীতে ১১০ এবং তেঁতুলিয়ায় ১১০টি পরিবারকে এ ঘর দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আজাদ জাহান, পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবুসহ ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দে ভাসবে ২২৯৬ পরিবার
দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি ঘর পাচ্ছেন ২ হাজার ২৯৬টি গৃহহীন পরিবার। জেলা প্রশাসকের আয়োজনে জেলা প্রশাসক হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা প্রশাসক জানান, দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁও সদরে ৩০০, পীরগঞ্জে ৫০০, রানীশংকৈলে ২৯৬, বালিয়াডাঙ্গীতে ৮০০ ও হরিপুরে ৪০০টি সুবিধাভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কামরুন নাহান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মণ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাকসুদা আক্তার মাসু, সহকারী ভূমি কমিশনার (সদর) কামরুল হাসান সোহাগ প্রমুখ। এছাড়া জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাপাহারে নতুন ঘরের অপেক্ষায় ৬০ পরিবার
নওগাঁর সাপাহারে দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পরিবারের মধ্যে ঘর হস্তান্তর করা হবে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহরাব হোসেন, উপজেলায় কর্মরত  প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
পোরশায় ঘর পাচ্ছেন ৭১ গৃহহীন পরিবার
নওগাঁয় পোরশায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহারের ঘর পাচ্ছেন ৭১টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার। সকালে নিজ কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হামিদ রেজা সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের পশ্চিম রঘুনাথপুর মৌজায় নির্মিত ৬৭টি ও ছাওড় ইউনিয়নে নির্মিত ৪টি গৃহ হস্তান্তর করা হবে। গৃহগুলোতে প্রবেশ রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও নিতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম শাহ্ চৌধুরী, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক এম রইচ উদ্দিনসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মুকসুদপুরে ১৫০ গৃহহীন পরিবার  ঘর পাচ্ছেন
 গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ১৫০টি গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে জমিসহ ঘর। শনিবার সকালে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষের সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোবায়ের রহমান রাশেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি আসমত হোসেন ভুঁইয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার ফায়জুল ইসলাম প্রমুখ।