ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র অধিকৃত পশ্চিম তীরের গাজার মতো সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী কে হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়, আমরা মানুষ আমাদেরও ভুল ত্রুটি হয়: শফিকুর রহমান পদত্যাগপত্রে কি লিখেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

টেকনাফ সীমান্তে ফের ব্যাপক গোলাগুলি, আতঙ্ক

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪
  • ১৯২ Time View

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইনে মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) আবারো রাতভর ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। গোলাগুলির শব্দে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, টেকনাফের হোয়াইক্যং উত্তর পাড়া, লম্বাবিল, উনচিপ্রাং, কাঞ্জর পাড়া, হ্নীলা মৌলভী পাড়া, ওয়াব্রাং, ফুলের ডেইল, চৌধুরী পাড়া, জালিয়া পাড়া এলাকায় সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে গুলি ও মর্টার শেলের শব্দ পাওয়া গেছে। হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তের পূর্বে মিয়ানমার কুমিরহালি, নাইচদং, কোয়াংচিগং, শিলখালী, নাফপুরা নামক গ্রামগুলোতে গৃহযুদ্ধ চলছে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেছেন, “সারারাত সীমান্তে গোলাগুলি হয়েছে। ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দের কারণে সীমান্তের মানুষ ঘুমাতে পারেনি।”

হোয়াইক্ষং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, “হোয়াইক্যং উত্তর পাড়া, লম্বাবিল, উনচিপ্রাং,কাঞ্জর পাড়া এলাকায় সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে গুলি ও মর্টার শেলের শব্দ পাওয়া গেছে। আমরা মনে করছিলাম দিন যত যাবে পরিস্থিতি ততটা স্বভাবিক হবে। কিন্তু পরিস্থিতি বিপরীত।”

এর আগে গত শুক্রবার বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় হওয়া গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল।

এদিকে মিয়ানমার মংডু ও বুথেডংয়ে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ চলছে। টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার নাফ নদে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা সীমান্তে টহল বৃদ্ধি করেছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সবসময় প্রস্তুত বিজিবি ও কোস্টগার্ড।

Tag :
জনপ্রিয়

দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে

টেকনাফ সীমান্তে ফের ব্যাপক গোলাগুলি, আতঙ্ক

Update Time : ১০:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইনে মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) আবারো রাতভর ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। গোলাগুলির শব্দে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, টেকনাফের হোয়াইক্যং উত্তর পাড়া, লম্বাবিল, উনচিপ্রাং, কাঞ্জর পাড়া, হ্নীলা মৌলভী পাড়া, ওয়াব্রাং, ফুলের ডেইল, চৌধুরী পাড়া, জালিয়া পাড়া এলাকায় সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে গুলি ও মর্টার শেলের শব্দ পাওয়া গেছে। হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তের পূর্বে মিয়ানমার কুমিরহালি, নাইচদং, কোয়াংচিগং, শিলখালী, নাফপুরা নামক গ্রামগুলোতে গৃহযুদ্ধ চলছে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেছেন, “সারারাত সীমান্তে গোলাগুলি হয়েছে। ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দের কারণে সীমান্তের মানুষ ঘুমাতে পারেনি।”

হোয়াইক্ষং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, “হোয়াইক্যং উত্তর পাড়া, লম্বাবিল, উনচিপ্রাং,কাঞ্জর পাড়া এলাকায় সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে গুলি ও মর্টার শেলের শব্দ পাওয়া গেছে। আমরা মনে করছিলাম দিন যত যাবে পরিস্থিতি ততটা স্বভাবিক হবে। কিন্তু পরিস্থিতি বিপরীত।”

এর আগে গত শুক্রবার বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় হওয়া গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল।

এদিকে মিয়ানমার মংডু ও বুথেডংয়ে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ চলছে। টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার নাফ নদে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা সীমান্তে টহল বৃদ্ধি করেছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সবসময় প্রস্তুত বিজিবি ও কোস্টগার্ড।