প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোপন কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবের ১৫টির মধ্যে ১৪টি শর্ত ও সুবিধার বিষয়টি জানা গেছে। প্রস্তাবের একটি দফা এখনো প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
১. ইরানকে তাদের বর্তমান পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলতে হবে।
২. ‘ভবিষ্যতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করবে না’—এ মর্মে অঙ্গীকার করতে হবে।
৩. ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চলবে না।
৫. নাতাঞ্জ, ইসফাহান ও ফোর্দোর পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।
৬. জাতিসংঘের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থাকে (আইএইএ) পূর্ণ প্রবেশাধিকার ও তদারকির সুযোগ দিতে হবে।
৭. ইরানকে অবশ্যই তার আঞ্চলিক প্রক্সিগুলোকে অর্থায়ন, নির্দেশনা ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।
৯. হরমুজ প্রণালি সব সময় খোলা রাখতে হবে এবং একটি অবাধ সামুদ্রিক করিডর হিসেবে কাজ করতে হবে।
১০. ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিসর ও সংখ্যা—উভয় দিক থেকে সীমিত করতে হবে। নির্দিষ্ট সীমা পরে নির্ধারণ করা হবে।
১১. ভবিষ্যতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার শুধু আত্মরক্ষার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
১২. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে।
১৩. বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করবে, যার মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের উন্নয়নও রয়েছে।
১৪. শর্ত ভঙ্গ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের যে ব্যবস্থা রয়েছে, তা বাতিল করা হবে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 



















