ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা পরিষদের ৬০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে ভূমিকম্পে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা প্রাথমিকভাবে তা জানা যায়নি। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে প্রথম দফায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানার ১১ মিনিট পর আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে তুরস্কের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের একটি এলাকায়। এ দফায় ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ (ইউএসজিএস) এর দেয়া তথ্যানুসারে, তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের নূরদাগি শহরের পূর্বাঞ্চল ছিল ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র। জায়গাটি নূরদাগি থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এই ভূমিকম্পে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা তা এখনো জানা যায়নি।

সিরিয়ার সীমান্তবর্তী গাজিয়ান্তেপ তুরস্কের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। ভূমিকম্পটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, সিরিয়া, লেবানন এবং সাইপ্রাস থেকেও এই ভূমিকম্পের তীব্রতা অনুভূত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে দেখা গেছে, দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই চাপা পড়েছেন। তবে তুরস্কের পুলিশ বা সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর এএফএডি এখন পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

উল্লেখ্য, তুরস্ক বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে। ১৯৯৯ সালে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি ছিল ডাজসি এবং এই ভূমিকম্প কয়েক দশকের মধ্যে তুরস্কে সবথেকে মারাত্মক আঘাত হানা একটি ভূমিকম্প। সেই ভূমিকম্পে ইস্তাম্বুলে প্রায় ১ হাজার সহ ১৭ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘকাল ধরে সতর্ক করেছেন যে একটি বড় ভূমিকম্প ইস্তাম্বুলকে ধ্বংস করতে পারে। অথচ নিরাপত্তা সতর্কতা ছাড়াই এখানে বিস্তৃত ভবনের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে এলাজিগে একটি ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এবং সেই বছর অক্টোবরে, এজিয়ান সাগরে ৭.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ১১৪ জন নিহত এবং ১,০০০ জনেরও বেশি আহত হয়।

Tag :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ

তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

Update Time : ০৫:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে ভূমিকম্পে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা প্রাথমিকভাবে তা জানা যায়নি। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে প্রথম দফায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানার ১১ মিনিট পর আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে তুরস্কের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের একটি এলাকায়। এ দফায় ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ (ইউএসজিএস) এর দেয়া তথ্যানুসারে, তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের নূরদাগি শহরের পূর্বাঞ্চল ছিল ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র। জায়গাটি নূরদাগি থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এই ভূমিকম্পে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা তা এখনো জানা যায়নি।

সিরিয়ার সীমান্তবর্তী গাজিয়ান্তেপ তুরস্কের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। ভূমিকম্পটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, সিরিয়া, লেবানন এবং সাইপ্রাস থেকেও এই ভূমিকম্পের তীব্রতা অনুভূত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে দেখা গেছে, দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই চাপা পড়েছেন। তবে তুরস্কের পুলিশ বা সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর এএফএডি এখন পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

উল্লেখ্য, তুরস্ক বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে। ১৯৯৯ সালে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি ছিল ডাজসি এবং এই ভূমিকম্প কয়েক দশকের মধ্যে তুরস্কে সবথেকে মারাত্মক আঘাত হানা একটি ভূমিকম্প। সেই ভূমিকম্পে ইস্তাম্বুলে প্রায় ১ হাজার সহ ১৭ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘকাল ধরে সতর্ক করেছেন যে একটি বড় ভূমিকম্প ইস্তাম্বুলকে ধ্বংস করতে পারে। অথচ নিরাপত্তা সতর্কতা ছাড়াই এখানে বিস্তৃত ভবনের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে এলাজিগে একটি ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এবং সেই বছর অক্টোবরে, এজিয়ান সাগরে ৭.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ১১৪ জন নিহত এবং ১,০০০ জনেরও বেশি আহত হয়।