ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ আগস্ট ২০২৬ এসএসসিতে এবার জিপিএ-৫ পেলো ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ ও পাসের হারের নিরিখে অন্য বছরগুলোর মতোই এবারও মেয়েরা এগিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮২ দিন পর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে আজ, জানা যাবে তিনভাবে

পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে এনটিআরসিএ, নিয়োগ হবে লক্ষাধিক শিক্ষক

সারা দেশে বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।  আগামী ৩১ মার্চ পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ বলতে রাজি হননি এনটিআরসিএর সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। সোমবার (২৫ মার্চ) তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
আর এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহিল আজম জানান, তারা চলতি মাসেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চান। সেভাবেই কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। ১৮ মার্চ এ তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়। পরে শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের সময় বেধে দেয় এনটিআরসিএ। আজ শেষ হলো এ সময়।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৬ হাজার ৮০৬টি শূন্যপদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ৪২ হাজার ৮৬৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে ৪ হাজার ৩৭১, কারিগরিতে ১ হাজার ৯৫৭টি এবং মাদ্রাসায় ৪৭ হাজার ৬১২টি পদ শূন্য রয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল এনটিআরসিএ। এতে শূন্যপদ ছিল ৬৮ হাজার ৩৯০টি। এগুলো ছিল এমপিওভুক্ত। গত বছরের ১২ মার্চ ওই গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩২ হাজার ৪৩৮ প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশন, বয়স বিবেচনা ও সনদ যাচাই শেষে ২০ সেপ্টেম্বর ২৭ হাজার ৭৪ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে স্কুল ও কলেজে ১৩ হাজার ৭০৫ জন, মাদ্রাসায় ১১ হাজার ২৭৯, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫১৬, সংযুক্ত স্কুলে ১ হাজার ৫৮৩, সংযুক্ত মাদ্রাসায় ৬২১ জন সুপারিশ পেয়েছিলেন।
Tag :

দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে এনটিআরসিএ, নিয়োগ হবে লক্ষাধিক শিক্ষক

Update Time : ০৫:১৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
সারা দেশে বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।  আগামী ৩১ মার্চ পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ বলতে রাজি হননি এনটিআরসিএর সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। সোমবার (২৫ মার্চ) তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
আর এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহিল আজম জানান, তারা চলতি মাসেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চান। সেভাবেই কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। ১৮ মার্চ এ তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়। পরে শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের সময় বেধে দেয় এনটিআরসিএ। আজ শেষ হলো এ সময়।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৬ হাজার ৮০৬টি শূন্যপদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ৪২ হাজার ৮৬৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে ৪ হাজার ৩৭১, কারিগরিতে ১ হাজার ৯৫৭টি এবং মাদ্রাসায় ৪৭ হাজার ৬১২টি পদ শূন্য রয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল এনটিআরসিএ। এতে শূন্যপদ ছিল ৬৮ হাজার ৩৯০টি। এগুলো ছিল এমপিওভুক্ত। গত বছরের ১২ মার্চ ওই গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩২ হাজার ৪৩৮ প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশন, বয়স বিবেচনা ও সনদ যাচাই শেষে ২০ সেপ্টেম্বর ২৭ হাজার ৭৪ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে স্কুল ও কলেজে ১৩ হাজার ৭০৫ জন, মাদ্রাসায় ১১ হাজার ২৭৯, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫১৬, সংযুক্ত স্কুলে ১ হাজার ৫৮৩, সংযুক্ত মাদ্রাসায় ৬২১ জন সুপারিশ পেয়েছিলেন।