পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে পরিবহন স্বল্পতার কারণে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শুক্রবার সকালে ঘাট এলাকায় এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।
দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত তাদের আসতে সড়কে তেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। এরপরই ফেরি বা লঞ্চে করে ভোগান্তি ছাড়াই পাটুরিয়া ফেরিঘাট আসতে পারছে। ঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর পুরোনো টার্মিনাল থেকে লোকাল বাসের চালক ও সহযোগীরা এসব কর্মমুখী যাত্রীকে নিয়ে ছুটছেন ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া গাজীপুর, যাত্রাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায়।
এদিকে যাত্রীদের কাছ থেকে বাসের চালক-সহযোগীরা যাতে অতিরিক্ত ভাড়া নিতে না পারেন এবং যাত্রী হয়রানি রোধে ফেরিঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে।
সরেজমিন দেখা যায়, পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে মানুষ সকাল থেকে ভিড় করছেন। আর ঘাট এলাকায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাস মালিক-শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পারিবহন স্বল্পতার কারণেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মানুষকে।

পাটুরিয়া ঘাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত পদ্মা লাইন বাসের ভাড়া ১২০ টাকা, সাভারের ভাড়া ৯০ টাকা ও নবীনগরের ভাড়া ৭০ টাকা। হিমাচল, লীলাচল, সেলফির ভাড়াও একই ভাবে নেওয়া হয়। কিন্ত শুক্রবার পরিবহন স্বল্পতার সুযোগে বাস মালিক-শ্রমিকরা জনপ্রতি ভাড়া আদায় করছেন দুই থেকে আড়াইশ’ টাকা।
পাটুরিয়া ঘাটে আসা গার্মেন্টস কর্মী আসিয়া আক্তার, মনিকা আক্তার, জরিনা খাতুন, নার্গিস আক্তার, সুপিয়া খাতুন, জহির হোসেন জানান, সকাল ৮টার দিকে পাটুরিয়া ঘাটে আসেন। কিন্তু পরিবহন স্বল্পতার কারনে সকাল ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই একটি বাস মাঝে মধ্যে আসলেও যাত্রীদের ভিড়ের কারণে বাসে উঠতে পারেননি তারা।
এদিকে শিবালয় বাস মালিক সমিতির সভাপতি আলাল উদ্দিন জানান, অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক 























