আগামী রোববার (৩০ মে) ফাইজারের এক লাখের বেশি টিকা বাংলাদেশে আসছে। বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহে গঠিত বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স থেকে এ টিকা আনা হচ্ছে। রোববার মধ্যরাতে টিকার প্রথম চালানটি ঢাকায় পৌঁছাবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
করোনা প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত দেশে জরুরি ব্যবহারে চারটি টিকা অনুমোদন পেয়েছে।
অনুমোদন প্রাপ্ত টিকাগুলো হলো- যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার, রাশিয়ার স্পুটনিক ভি, চীনের সিনোফার্ম ও যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিকেলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে টিকাটির লোকাল লিগ্যাল অর্গানাইজেশন। ভ্যাকসিনটি ইউএসএফডিএ (USFDA) কর্তৃক গত বছরের ১১ ডিসেম্বর, ইউকেএমএইচআরএ (UKMHRA) কর্তৃক গত বছরের ২ ডিসেম্বর এবং ইএমএ (EMA) কর্তৃক গত বছরের ২১ ডিসেম্বর জরুরি ব্যবহারে অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়। এছাড়াও টিকাটি গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি ব্যবহার তালিকায় স্থান পেয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফাইজারের টিকাটি ১২ বছর এবং তার বেশি বয়সী ব্যক্তির জন্য ব্যবহারযোগ্য। দেশে এটি সরকারের ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে প্রদান করা হবে। টিকাটি দুই ডোজের। প্রথম ডোজের ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি। তবে টিকাটি ৫ দিন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এবং ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২ ঘণ্টা স্ট্যাবল থাকবে।
অনলাইন ডেস্ক 























