ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে সদ্য নির্বাচিত যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান খান সাইফুলকে সংবর্ধনা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বড় পরিসরে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৬ জুলাই ২০২৬ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক শেখ শামসুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা: বাংলা একাডেমি থেকে মরণোত্তর সম্মাননার দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ব্যতীত আন্দোলন থামবে না: ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা চীন বা রাশিয়া যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, সেটি তাদের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে: ট্রাম্প

বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এর ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী

মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর প্রতিনিধি: বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এর ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী ৯ ডিসেম্বর সোমবার। ২০২০ সালের এই দিনে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

এ উপলক্ষে ফরিদপুরের মুসলিম মিশন এতিম খানায় দোয়া এবং ময়েজ মঞ্জিলের পারিবারিক কবরস্থানে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাতের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে ।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ১৯৪০ সালের ৩ মে তিনি ফরিদপুর জেলার সম্ভ্রান্ত বাঙালি জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের পিতামহ ছিলেন জমিদার চৌধুরী ময়েজউদ্দীন বিশ্বাস। তাঁর পিতা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) ব্রিটিশ ও পাকিস্তান শাসনামলে উপমহাদেশের একজন বিশিষ্ট প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ছিলেন। তাঁর চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ বিএনপি থেকে ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁকে বৃহত্তর ফরিদপুরের প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন District Development Co- ordinator – DDC হিসেবে নিয়োগ দেন। ১৯৮১ সালে তিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও জয়ী হয়ে তিনি খাদ্য এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হয়েছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয়

ফরিদপুরে সদ্য নির্বাচিত যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান খান সাইফুলকে সংবর্ধনা

বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এর ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী

Update Time : ০২:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর প্রতিনিধি: বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এর ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী ৯ ডিসেম্বর সোমবার। ২০২০ সালের এই দিনে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

এ উপলক্ষে ফরিদপুরের মুসলিম মিশন এতিম খানায় দোয়া এবং ময়েজ মঞ্জিলের পারিবারিক কবরস্থানে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাতের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে ।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ১৯৪০ সালের ৩ মে তিনি ফরিদপুর জেলার সম্ভ্রান্ত বাঙালি জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের পিতামহ ছিলেন জমিদার চৌধুরী ময়েজউদ্দীন বিশ্বাস। তাঁর পিতা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) ব্রিটিশ ও পাকিস্তান শাসনামলে উপমহাদেশের একজন বিশিষ্ট প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ছিলেন। তাঁর চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ বিএনপি থেকে ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁকে বৃহত্তর ফরিদপুরের প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন District Development Co- ordinator – DDC হিসেবে নিয়োগ দেন। ১৯৮১ সালে তিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও জয়ী হয়ে তিনি খাদ্য এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হয়েছিলেন।