ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা নিরাপদ জোন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৯২ Time View

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা নিরাপদ জোন তৈরি করা হয়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য এই জোন ৬০০ ফুট দীর্ঘ বলে জানা গেছে। সৈকতে নারীদের জন্য আলাদা ড্রেসিংরুম ও লকাররুম করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় সৈকতের লাবনী পয়েন্টে এ জোনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, কক্সবাজার প্রশাসন সৈকতে নারী ও শিশুদের বিশেষ সুরক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে এ জোনে অনেক নির্বিঘ্নে আনন্দে মগ্ন থাকা যাবে। পর্যটকবান্ধব হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে আমরা সবাই কাজ করছি। হয়তো এ রকম ছোট উদ্যোগগুলোই পর্যটনে বড় ভূমিকা রাখবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সৈকতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে নারী ও শিশুরা। তাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা এই জোন। যেখানে তারা নিশ্চিত ঝুঁকিমুক্ত থাকবে। পর্যটকদের জন্য আগে থেকেই কাজ করছি আমরা। জনবল কম হলেও আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করে যাব।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নারী ও শিশুর জন্য সংরক্ষিত জোনের উদ্যোগের ফলে পর্যটকরা নির্বিঘ্নে গোসল করতে পারবে। থানায়ও একটি আলাদা জোন করা হয়েছে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার কামালসহ সৈকত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী।

Tag :
জনপ্রিয়

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা নিরাপদ জোন

Update Time : ১১:০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা নিরাপদ জোন তৈরি করা হয়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য এই জোন ৬০০ ফুট দীর্ঘ বলে জানা গেছে। সৈকতে নারীদের জন্য আলাদা ড্রেসিংরুম ও লকাররুম করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় সৈকতের লাবনী পয়েন্টে এ জোনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, কক্সবাজার প্রশাসন সৈকতে নারী ও শিশুদের বিশেষ সুরক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে এ জোনে অনেক নির্বিঘ্নে আনন্দে মগ্ন থাকা যাবে। পর্যটকবান্ধব হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে আমরা সবাই কাজ করছি। হয়তো এ রকম ছোট উদ্যোগগুলোই পর্যটনে বড় ভূমিকা রাখবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সৈকতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে নারী ও শিশুরা। তাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা এই জোন। যেখানে তারা নিশ্চিত ঝুঁকিমুক্ত থাকবে। পর্যটকদের জন্য আগে থেকেই কাজ করছি আমরা। জনবল কম হলেও আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করে যাব।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নারী ও শিশুর জন্য সংরক্ষিত জোনের উদ্যোগের ফলে পর্যটকরা নির্বিঘ্নে গোসল করতে পারবে। থানায়ও একটি আলাদা জোন করা হয়েছে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার কামালসহ সৈকত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী।