ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তন করার সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হতে কোনো সমস্যা নেই: ইরানের রাষ্ট্রদূত আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ফরিদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ডাঃ মোহাম্মদ জাহেদ এর ৩৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল বুধবার আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন লিওনেল মেসি মন্ত্রিসভায় নবম পে-স্কেল প্রস্তাব অনুমোদন, গ্রেডভেদে বাড়বে ১০০–১৪২ শতাংশ নতুন পে-স্কেলের সুপারিশ করতে যাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়, বেতন বাড়বে ৪ ধাপে দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন

বৈশাখের অনুষ্ঠানে জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে কোনো জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই। এরপরও বারবার পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে হামলা আসার কারণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রমনার বটমূলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখতে এসে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যার মধ্যে বৈশাখের সকল অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। এসময় নিরাপত্তা মহড়া করে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াটসহ ডিএমপির অন্যান্য ইউনিট।

কমিশনার বলেন, ২০০১ সালে রমনা বটমূলে জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে প্রতিবারই বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়। কোনো হামলার শঙ্কা না থাকলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতিসত্তার অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রকাশ। এ কারণে বার বার এ আয়োজনে আঘাত হানা হয়েছে। জঙ্গি হামলা হয়েছে। তাই সবকিছু মাথায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো হামলার শঙ্কা নেই।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দিনটি পালিত হবে। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রমনা বটমূলে, সংসদ ভবন এলাকা, হাতিরঝিল, রবীন্দ্র সরোবরসহ আরও বেশ কিছু জায়গায় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। ডিএমপির পক্ষ থেকে সব অনুষ্ঠান ঘিরেই ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনুষ্ঠান এলাকা সিসিটিভি দ্বারা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া ওয়াচটাওয়ার, ড্রোনের মাধ্যমে আশ-পাশের এলাকায় নজরদারি করা হবে। পুরো এলাকা বিশেষ ইক্যুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে সুইপিং করা হবে। ইতোমধ্যো কাজ শুরু হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। রমনার প্রবেশমুখে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ভেতরে-বাইরে সাদা পোশাকে ডিবি, এসবি অন্য গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা তৎপর থাকবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রমনা পার্কে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এরপর কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, পর্যটকদের সহায়তার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের টিম থাকবে, লেকে নৌ পুলিশের টিম, মেডিক্যাল টিম, লস্ট এন্ড ফাউন্ড সেন্টার, রক্তদানের বুথ থাকবে। এছাড়া ডিএমপির পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সুপেয় পানির ব্যবস্থা থাকবে।

Tag :

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তন করার সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন

বৈশাখের অনুষ্ঠানে জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

Update Time : ১১:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে কোনো জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই। এরপরও বারবার পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে হামলা আসার কারণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রমনার বটমূলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখতে এসে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যার মধ্যে বৈশাখের সকল অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। এসময় নিরাপত্তা মহড়া করে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াটসহ ডিএমপির অন্যান্য ইউনিট।

কমিশনার বলেন, ২০০১ সালে রমনা বটমূলে জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে প্রতিবারই বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়। কোনো হামলার শঙ্কা না থাকলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতিসত্তার অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রকাশ। এ কারণে বার বার এ আয়োজনে আঘাত হানা হয়েছে। জঙ্গি হামলা হয়েছে। তাই সবকিছু মাথায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো হামলার শঙ্কা নেই।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দিনটি পালিত হবে। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রমনা বটমূলে, সংসদ ভবন এলাকা, হাতিরঝিল, রবীন্দ্র সরোবরসহ আরও বেশ কিছু জায়গায় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। ডিএমপির পক্ষ থেকে সব অনুষ্ঠান ঘিরেই ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনুষ্ঠান এলাকা সিসিটিভি দ্বারা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া ওয়াচটাওয়ার, ড্রোনের মাধ্যমে আশ-পাশের এলাকায় নজরদারি করা হবে। পুরো এলাকা বিশেষ ইক্যুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে সুইপিং করা হবে। ইতোমধ্যো কাজ শুরু হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। রমনার প্রবেশমুখে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ভেতরে-বাইরে সাদা পোশাকে ডিবি, এসবি অন্য গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা তৎপর থাকবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রমনা পার্কে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এরপর কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, পর্যটকদের সহায়তার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের টিম থাকবে, লেকে নৌ পুলিশের টিম, মেডিক্যাল টিম, লস্ট এন্ড ফাউন্ড সেন্টার, রক্তদানের বুথ থাকবে। এছাড়া ডিএমপির পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সুপেয় পানির ব্যবস্থা থাকবে।