ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে হামলা চালিয়েছে হরতাল ডাকা হেফাজত ইসলাম। রবিবার (২৮ মার্চ) সকালে চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে ভাঙচুর চালানো হয় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে আশুগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাঝখানে ১৮ নম্বর রেলসেতুতেও আগুন দেওয়া হয়। ফলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, নোয়াখালীর পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে আগুন জ্বালিয়ে এবং বিদ্যুতের খুঁটি ফেলে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখেছেন হরতালকারীরা।
জানা যায়, ঢাকা থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস পৈরতলা রেলগেটে পৌঁছলে বিক্ষোভকারীরা রেলপথ অবরোধ করে ট্রেনটিতে ইটপাটকেল ছোড়া শুরু করে। পরে চালক অবস্থা বেগতিক দেখে ট্রেনটি ফিরিয়ে তালশহর স্টেশনে নিয়ে যান। এছাড়াও আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস ভৈরব স্টেশনে আটকা পড়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকটি ট্রেন আশপাশের স্টেশনে আটকা পড়েছে।
রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী বলেন, নিরাপত্তার কারণে সকাল নয়টার পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ হচ্ছে। তাদের পক্ষ থেকে সংকেত পেলেই ট্রেন চালু করা হবে।
আখাউড় রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল করিম জানান, রবিবার সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আশুগঞ্জের মধ্যবর্তী তালশহর এলাকা অতিক্রম করার সময় হরতাল সমর্থনকারীরা ইটপাটকেল ছোড়েন। তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৬ মার্চ) দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় হেফাজত কর্মী আহত ও নিহত হওয়ার অভিযোগ এনে সারাদেশে হরতালের ডাক দেয় হেফাজত ইসলামের নেতারা।
অনলাইন ডেস্ক 






















