জীবিকার তাগিদে ঈদ শেষে আগেভাগে মাঝরাতেও ঢাকার পানে ছুটছেন হাজারো কর্মজীবী মানুষ।
ঈদের আগে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে বেশ কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গগামী মানুষ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ উদযাপনের জন্য ভিড় করেন।
ঈদ শেষে এখন সন্ধ্যার পর থেকে মাঝরাতে ঢাকায় মানুষের সেই ভিড় বেড়েছে। মাদারীপুরের বাংলাবাজার থেকে ফেরিতে করে শিমুলিয়া ঘাটে ঘুমকে হারাম করে মাঝরাতে আসা হাজারো যাত্রীর চাপ রয়েছে।
স্বজনদের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে আবারও গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধির কোনো তোয়াক্কা না করে মাঝরাতে ফেরিতে পদ্মা পার হয়ে ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণ জনপদের কর্মজীবী মানুষেরা।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রোববার (১৬ মে) মধ্যরাত থেকে ১৭ মে মধ্যবেলা ১২টার দিকে বাংলাবাজার ঘাট হয়ে হাজারো মানুষ শিমুলিয়া ঘাটে আসতে শুরু করেছেন। লকডাউনের কারণে দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় গন্তব্যে ফিরতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নানা যানবাহনে করে ভেঙে ভেঙে কর্মস্থলে ফিরছেন। অনেকে হেঁটেই রওনা হয়েছেন ঢাকার উদ্দেশ্যে।
বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে সব কয়টি ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। রোববার রাত থেকে শুরু করে মাঝ রাত থেকে এ নৌরুটে পণ্যবাহী যানবাহনসহ ঢাকামুখী যাত্রীদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ফেরি চলাচল করেছে। যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ফেরিতে বেশ চাপ রয়েছে। লঞ্চ ও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ফেরিতে যাত্রীচাপ বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ। এতে আসা যাত্রীদের সামাল দিতে আমাদের বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে।
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (টিআই) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন বলেন, শিমুলিয়া ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ অব্যাহত রয়েছে। সারারাত যাত্রীদের এ চাপ থাকলেও যানবাহনের তেমন চাপ নেই ঘাট এলাকায়। বর্তমানে শিমুলিয়া ঘাটে ৫ শতাধিক পণ্যবাহী যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। গভীর রাত হওয়ায় শিমুলিয়া ঘাটে এসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে গণপরিবহন না থাকায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন ঢাকামুখী কর্মজীবী মানুষেরা।
Reporter Name 























