ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেমাল আঘাত হানার ৩৬ ঘণ্টা হলেও সারা দেশে ২৭ হাজার মোবাইল টাওয়ার এখনো অচল

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪
  • ১৭৮ Time View

ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানার ৩৬ ঘণ্টা হলেও সারা দেশে ২৭ হাজার মোবাইল টাওয়ার এখনো অচল। অপারেটররা বলছে, বিদ্যুৎ ও জেনারেটর দিয়ে গতরাত (সোমবার) থেকে আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল পর্যন্ত সচল হয়েছে মাত্র ৩ হাজার টাওয়ার। তবে বিকেল নাগাদ দুর্গত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

অনেক জায়গাতেই কল দিলে যাচ্ছে না; ফোনের ডিসপ্লেতে ভাসছে ‘নো নেটওয়ার্ক’। শুধু কথা বলায় নয়; জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে স্বজনদের পাঠানো যাচ্ছে না কোন টাকাও। ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানার পর সোমবার (২৭ মে) সারা দেশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে ২৬ হাজারের বেশি মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়ায় গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে ওঠে।

তারা জানান, মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকায় কারও সঙ্গে কথা বলা যাচ্ছে না; আর্থিক লেনদেনও ব্যাহত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন। যার প্রভাব পড়েছে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সেবায়। বিদ্যুৎ না থাকায় অচল হয়ে আছে ২৬ হাজারের বেশি মোবাইল টাওয়ার। জেনারেটর দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে তাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মোবাইল অপারেটররা জানিয়েছে, বর্তমানে ৩০ হাজার টাওয়ারে নেই কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ। এর মধ্যে তিন হাজার টাওয়ার জেনারেটর দিয়ে সচল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ তথ্য বলছে, রাঙ্গামাটি, মেহেরপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল ও বরগুনায় প্রায় ৮০% সাইট অচল রয়েছে।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক দ্রুত ফিরিয়ে আনতে মোবাইল অপারেটররা বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

Tag :

রেমাল আঘাত হানার ৩৬ ঘণ্টা হলেও সারা দেশে ২৭ হাজার মোবাইল টাওয়ার এখনো অচল

Update Time : ১২:০৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানার ৩৬ ঘণ্টা হলেও সারা দেশে ২৭ হাজার মোবাইল টাওয়ার এখনো অচল। অপারেটররা বলছে, বিদ্যুৎ ও জেনারেটর দিয়ে গতরাত (সোমবার) থেকে আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল পর্যন্ত সচল হয়েছে মাত্র ৩ হাজার টাওয়ার। তবে বিকেল নাগাদ দুর্গত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

অনেক জায়গাতেই কল দিলে যাচ্ছে না; ফোনের ডিসপ্লেতে ভাসছে ‘নো নেটওয়ার্ক’। শুধু কথা বলায় নয়; জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে স্বজনদের পাঠানো যাচ্ছে না কোন টাকাও। ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানার পর সোমবার (২৭ মে) সারা দেশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে ২৬ হাজারের বেশি মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়ায় গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে ওঠে।

তারা জানান, মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকায় কারও সঙ্গে কথা বলা যাচ্ছে না; আর্থিক লেনদেনও ব্যাহত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন। যার প্রভাব পড়েছে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সেবায়। বিদ্যুৎ না থাকায় অচল হয়ে আছে ২৬ হাজারের বেশি মোবাইল টাওয়ার। জেনারেটর দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে তাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মোবাইল অপারেটররা জানিয়েছে, বর্তমানে ৩০ হাজার টাওয়ারে নেই কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ। এর মধ্যে তিন হাজার টাওয়ার জেনারেটর দিয়ে সচল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ তথ্য বলছে, রাঙ্গামাটি, মেহেরপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল ও বরগুনায় প্রায় ৮০% সাইট অচল রয়েছে।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক দ্রুত ফিরিয়ে আনতে মোবাইল অপারেটররা বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।