ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভাঙ্গায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ৫ ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমেছে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে, ১ জুন থেকেই কার্যকর ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজায় মানুষের ঢল এসএসসি পরীক্ষার সূচি আবারও পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আদালতে ন্যায় বিচার চাইলেন রামিসার বাবা ফরিদপুরে ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা: নিহত বেড়ে ৫ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে

লাখ লাখ টাকা দিয়ে হাসপাতাল থেকে পঙ্গুত্ব কিনে বাড়ি ফিরলাম: তসলিমা নাসরিন

ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন বাড়ি ফেরার পর প্রথম পোস্টে প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ নিয়ে। সম্প্রতি তিনি দেশটির একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।
পোস্টের একেবারে শুরুতে লিখেছেন— ‘লাখ লাখ টাকা দিয়ে হাসপাতাল থেকে পঙ্গুত্ব কিনে বাড়ি ফিরলাম।’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
লেখিকা ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, পড়ে গিয়ে তিনি ব্যথা পেয়েছেন হাঁটুতে। কিন্তু লাখ লাখ টাকা খরচ করে চিকিৎসকরা তার হিপ রিপ্লেসমেন্ট করেছেন। এমনই দাবি বাংলাদেশে চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা তসলিমার।
চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি ফেরার পর প্রথম পোস্টে তসলিমা তুলে ধরেছেন এই সংক্রান্ত ঘটনাবলির পুরোটা।
ফেসবুকে লেখিকার দাবি, শুক্রবার তিনি হাঁটুতে চোট পান। সেদিনই চিকিৎসকরা তার এক্সরে করিয়ে জানান যে, তসলিমার হিপ ভেঙেছে। তা বদলাতে হবে। সেই অনুযায়ী শনিবার দুপুরে তার ‘টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট’ হয়।
ফেসবুকে লেখিকার দাবি, রিপোর্টে লেখা ছিল— পুরনো একটি আঘাত রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা নিজে নিজেই সেরেও গেছে।
তসলিমা লিখেছেন— ‘হিল হয়ে যাওয়া পুরনো ফ্র্যাকচারকে আঁকড়ে ধরে তারা শনিবার দুপুরেই আমার টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট করে দিল।’
এর পরে লেখিকা লিখছেন— সবচেয়ে হাস্যকর জিনিস, ইমারজেন্সিতে গিয়ে আমি যা বলেছি, আমার হাঁটুর ব্যথার কথা, সেটি সম্পূর্ণ ডিলিট করে দিয়ে ডিসচার্জের সময় নতুন করে হিস্ট্রি লিখে দিয়েছে— যেখানে হাঁটু শব্দটিই নেই, আছে হিপ হিপ হিপ।
আমি নাকি হিপ জয়েন্টের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছি, আমার হিপ জয়েন্ট নাকি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। বাহ, কী সুন্দর হিস্ট্রি পাল্টে দেওয়া হলো। মূল হিস্ট্রি গায়েব।
তসলিমার দাবি— চিকিৎসা বিভ্রাটের ফাঁদেই পা দিয়ে পস্তাচ্ছেন তিনি। তার মতে, নিজে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্রী হওয়া সত্ত্বেও তসলিমা বুঝেও কিছুই করে উঠতে পারেননি।
Tag :

ভাঙ্গায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ৫

লাখ লাখ টাকা দিয়ে হাসপাতাল থেকে পঙ্গুত্ব কিনে বাড়ি ফিরলাম: তসলিমা নাসরিন

Update Time : ০৫:২৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৩
ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন বাড়ি ফেরার পর প্রথম পোস্টে প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ নিয়ে। সম্প্রতি তিনি দেশটির একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।
পোস্টের একেবারে শুরুতে লিখেছেন— ‘লাখ লাখ টাকা দিয়ে হাসপাতাল থেকে পঙ্গুত্ব কিনে বাড়ি ফিরলাম।’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
লেখিকা ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, পড়ে গিয়ে তিনি ব্যথা পেয়েছেন হাঁটুতে। কিন্তু লাখ লাখ টাকা খরচ করে চিকিৎসকরা তার হিপ রিপ্লেসমেন্ট করেছেন। এমনই দাবি বাংলাদেশে চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা তসলিমার।
চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি ফেরার পর প্রথম পোস্টে তসলিমা তুলে ধরেছেন এই সংক্রান্ত ঘটনাবলির পুরোটা।
ফেসবুকে লেখিকার দাবি, শুক্রবার তিনি হাঁটুতে চোট পান। সেদিনই চিকিৎসকরা তার এক্সরে করিয়ে জানান যে, তসলিমার হিপ ভেঙেছে। তা বদলাতে হবে। সেই অনুযায়ী শনিবার দুপুরে তার ‘টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট’ হয়।
ফেসবুকে লেখিকার দাবি, রিপোর্টে লেখা ছিল— পুরনো একটি আঘাত রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা নিজে নিজেই সেরেও গেছে।
তসলিমা লিখেছেন— ‘হিল হয়ে যাওয়া পুরনো ফ্র্যাকচারকে আঁকড়ে ধরে তারা শনিবার দুপুরেই আমার টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট করে দিল।’
এর পরে লেখিকা লিখছেন— সবচেয়ে হাস্যকর জিনিস, ইমারজেন্সিতে গিয়ে আমি যা বলেছি, আমার হাঁটুর ব্যথার কথা, সেটি সম্পূর্ণ ডিলিট করে দিয়ে ডিসচার্জের সময় নতুন করে হিস্ট্রি লিখে দিয়েছে— যেখানে হাঁটু শব্দটিই নেই, আছে হিপ হিপ হিপ।
আমি নাকি হিপ জয়েন্টের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছি, আমার হিপ জয়েন্ট নাকি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। বাহ, কী সুন্দর হিস্ট্রি পাল্টে দেওয়া হলো। মূল হিস্ট্রি গায়েব।
তসলিমার দাবি— চিকিৎসা বিভ্রাটের ফাঁদেই পা দিয়ে পস্তাচ্ছেন তিনি। তার মতে, নিজে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্রী হওয়া সত্ত্বেও তসলিমা বুঝেও কিছুই করে উঠতে পারেননি।