ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাধারণ ছুটির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে, সিদ্ধান্ত হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের সাধারণ ছুটি ঘোষণা আসতে পারে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বিভিন্ন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আজ রবিবার উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো সারাংশ আকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। যদি সাধারণ ছুটি হয় তাহলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আর কঠোর বিধি-নিষেধের বিষয় হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজকের বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সাধারণ ছুটির বিষয়েই বেশির ভাগ মতামত এসেছে। তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে কলকারখানা খোলা রেখে সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব এসেছে। এসব বিষয় উল্লেখ করেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যেটা সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়ে জোর দাবি জানাচ্ছেন। অর্থনীতির দিক থেকে এটা ফেলে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, সেখানে কলকারখানা খোলা রাখলে শক্ত লকডাউন সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়। তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই আসবে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে আগামী সোম ও মঙ্গলবার বিদ্যমান বিধি-নিষেধ চলবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আজ রবিবার বিকেলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তাই আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কী ধরনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, তা পরবর্তী প্রজ্ঞাপনে জানা যাবে।

Tag :

সাধারণ ছুটির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে, সিদ্ধান্ত হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

Update Time : ০৮:০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের সাধারণ ছুটি ঘোষণা আসতে পারে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বিভিন্ন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আজ রবিবার উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো সারাংশ আকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। যদি সাধারণ ছুটি হয় তাহলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আর কঠোর বিধি-নিষেধের বিষয় হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজকের বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সাধারণ ছুটির বিষয়েই বেশির ভাগ মতামত এসেছে। তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে কলকারখানা খোলা রেখে সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব এসেছে। এসব বিষয় উল্লেখ করেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যেটা সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়ে জোর দাবি জানাচ্ছেন। অর্থনীতির দিক থেকে এটা ফেলে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, সেখানে কলকারখানা খোলা রাখলে শক্ত লকডাউন সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়। তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই আসবে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে আগামী সোম ও মঙ্গলবার বিদ্যমান বিধি-নিষেধ চলবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আজ রবিবার বিকেলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তাই আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কী ধরনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, তা পরবর্তী প্রজ্ঞাপনে জানা যাবে।