ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮০০ ছাড়ালো ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী

হত্যাচেষ্টা মামলায় অব্যাহতি পেলেন রন ও দিপু সিকদার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১
  • ৩১৮ Time View

এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) দুজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী পুলিশের দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার দায় থেকে দুজনকে অব্যাহতি দেন।

মামলার দায় থেকে দুজনকে অব্যাহতির আবেদন জানিয়ে গত ২৬ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রিপন উদ্দিন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, কিছু তথ্যগত ভুল বা ভুল বোঝাবুঝির ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করেন বাদী। তাদের (বাদী-বিবাদী) মধ্যে একটি আপসনামা হয়েছে।

এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) দুজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত বছরের ১৯ মে গুলশান থানায় রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ। মামলার বাদী ছিলেন এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) সিরাজুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঋণের জন্য বন্ধকী সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন সিকদার গ্রুপের ওই দুই পরিচালক।

বিবরণে উল্লেখ করা হয়, পুরো ঘটনাটি ৫০০ কোটি টাকা ঋণ প্রস্তাব নিয়ে। এই ঋণের বিপরীতে বন্ধকী সম্পত্তি পরিদর্শনের নামে এক্সিম ব্যাংকের ওই দুই কর্মকর্তাকে গুলশানের একটি বাড়িতে ডেকে নেয়া হয়। এ সময় জামানত হিসেবে ওই সম্পত্তির বন্ধকী মূল্য কম উল্লেখ করেন ব্যাংকটির এমডি ও অতিরিক্ত এমডি। এরপরই গুলি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদার ব্যাংকটির এমডির কাছে একটি সাদা কাগজে জোর করে স্বাক্ষর নেন।

Tag :
জনপ্রিয়

হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই

হত্যাচেষ্টা মামলায় অব্যাহতি পেলেন রন ও দিপু সিকদার

Update Time : ০৪:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) দুজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী পুলিশের দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার দায় থেকে দুজনকে অব্যাহতি দেন।

মামলার দায় থেকে দুজনকে অব্যাহতির আবেদন জানিয়ে গত ২৬ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রিপন উদ্দিন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, কিছু তথ্যগত ভুল বা ভুল বোঝাবুঝির ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করেন বাদী। তাদের (বাদী-বিবাদী) মধ্যে একটি আপসনামা হয়েছে।

এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) দুজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত বছরের ১৯ মে গুলশান থানায় রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ। মামলার বাদী ছিলেন এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) সিরাজুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঋণের জন্য বন্ধকী সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন সিকদার গ্রুপের ওই দুই পরিচালক।

বিবরণে উল্লেখ করা হয়, পুরো ঘটনাটি ৫০০ কোটি টাকা ঋণ প্রস্তাব নিয়ে। এই ঋণের বিপরীতে বন্ধকী সম্পত্তি পরিদর্শনের নামে এক্সিম ব্যাংকের ওই দুই কর্মকর্তাকে গুলশানের একটি বাড়িতে ডেকে নেয়া হয়। এ সময় জামানত হিসেবে ওই সম্পত্তির বন্ধকী মূল্য কম উল্লেখ করেন ব্যাংকটির এমডি ও অতিরিক্ত এমডি। এরপরই গুলি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদার ব্যাংকটির এমডির কাছে একটি সাদা কাগজে জোর করে স্বাক্ষর নেন।