ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার অন্তত ৭০ শতাংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু কাল শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে যেসব কর্মসূচি নিল বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরো ১০ শিশুর মৃত্যু আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ ও বিচার চেয়ে উকিল নোটিস আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ত্রুটি পেয়েছে তদন্ত কমিটি ফরিদপুরে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে, আরও ২ শিশুর মৃত্যু চোরাচালান, পুশইন এবং কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি

ইউক্রেনে হামলার শঙ্কা আরও বেড়েই চলেছে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২৬২ Time View

ওয়াশিংটন, ১৯ ফেব্রুয়ারি – ইউক্রেনে হামলার শঙ্কা আরও বেড়েই চলেছে। সেদেশে সীমান্তের কাছাকাছি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় রাশিয়া তাদের সৈন্য মোতায়েন বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন মিশনের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত বেশকিছু এলাকায় সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে পুতিন সরকার। এতে করে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সেনা সমাবেশ আগের চেয়ে দ্রুত হারে বেড়েই চলেছে। তবে, কূটনৈতিকভাবে এ সংকট সমাধানে চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি রাশিয়ার প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে বলে ধারণা করছে মার্কিন মিশনের সৈন্যরা। গত ৩০ জানুয়ারি এ সেনা সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ। এর মধ্যে ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি আরও প্রায় ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরণের কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মস্কো।

ইউক্রেনের জাতিগত রুশ অধ্যুষিত ডনবাস অঞ্চলের নেতারা সেখানকার লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আদেশ জারি করেছেন। নেতারা প্রথমে নারী, শিশু ও বয়স্কদের রাশিয়া সরিয়ে নেওয়া জন্য বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে এ অঞ্চলে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। কারণ ডনবাসের স্বশাসিত দুটি অঞ্চল থেকে রাশিয়ায় আসা মানুষদের আশ্রয় ও খাবার দিতে রুশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

স্বঘোষিত ডনেটস্ক পিউপিল’স রিপাবলিকের প্রধান ডেনিস পুশিলিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া ঘোষণায় বলেছেন, পূর্ব ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়া মানুষদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। নারী, শিশু এবং বয়স্করা এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

Tag :

ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী

ইউক্রেনে হামলার শঙ্কা আরও বেড়েই চলেছে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

Update Time : ০৩:৩৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ওয়াশিংটন, ১৯ ফেব্রুয়ারি – ইউক্রেনে হামলার শঙ্কা আরও বেড়েই চলেছে। সেদেশে সীমান্তের কাছাকাছি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় রাশিয়া তাদের সৈন্য মোতায়েন বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন মিশনের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত বেশকিছু এলাকায় সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে পুতিন সরকার। এতে করে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সেনা সমাবেশ আগের চেয়ে দ্রুত হারে বেড়েই চলেছে। তবে, কূটনৈতিকভাবে এ সংকট সমাধানে চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি রাশিয়ার প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে বলে ধারণা করছে মার্কিন মিশনের সৈন্যরা। গত ৩০ জানুয়ারি এ সেনা সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ। এর মধ্যে ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি আরও প্রায় ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরণের কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মস্কো।

ইউক্রেনের জাতিগত রুশ অধ্যুষিত ডনবাস অঞ্চলের নেতারা সেখানকার লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আদেশ জারি করেছেন। নেতারা প্রথমে নারী, শিশু ও বয়স্কদের রাশিয়া সরিয়ে নেওয়া জন্য বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে এ অঞ্চলে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। কারণ ডনবাসের স্বশাসিত দুটি অঞ্চল থেকে রাশিয়ায় আসা মানুষদের আশ্রয় ও খাবার দিতে রুশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

স্বঘোষিত ডনেটস্ক পিউপিল’স রিপাবলিকের প্রধান ডেনিস পুশিলিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া ঘোষণায় বলেছেন, পূর্ব ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়া মানুষদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। নারী, শিশু এবং বয়স্করা এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।