ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে শ্রেণিকক্ষে সাবেক শিক্ষিকার লাশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের এ.বি.এ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে সম্পা আক্তার (২৫) এর লাশ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।

সম্পা আক্তার আলগী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে। সে বড়দিয়া গ্রামের প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেনে এক সময়ের শিক্ষিকা ছিলেন।

শুক্রবার (৩ জুন) বিকেলে স্থানীয়রা সম্পাকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

সম্পার পিতা খলিলুর রহমান জানান, সম্পা আক্তার মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। ৩ বছর যাবৎ এ সমস্যা ভুগছিল। আমরা তার চিকিৎসা করাচ্ছিলাম। এ রোগে আক্রান্ত হবার আগে সে স্থানীয় প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেনে শিক্ষকতা করতেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সে বাড়িতে ছিল। তার পর আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি। বিকালে এলাকাবাসী তার লাশ বিদ্যালয় কক্ষে দেখে বাড়িতে খবর দেয়।

ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ জুয়েল মিয়া জানান, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি কক্ষে সম্পার লাশ পাওয়া যায়। সম্পা এক সময়ে গ্রামের একটি কিন্ডার গার্টেনে শিক্ষিকা পদে চাকুরী করত। তিন বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। ধারনা করা হচ্ছে তামাক জাতীয় গুল খেয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তার পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে রাতেই বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ.বি.এ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি টিনের ঘরের দরজা বিহীন কক্ষে সম্পা আক্তারের লাশ পাওয়া গিয়েছে। বিদ্যালয়ে ৪ তলা নতুন ভবন হওয়ার পর ঐ টিনের ঘরটি ক্লাসরুম হিসাবে আর ব্যবহৃত হয় না।

Tag :

ফরিদপুরে শ্রেণিকক্ষে সাবেক শিক্ষিকার লাশ

Update Time : ০১:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের এ.বি.এ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে সম্পা আক্তার (২৫) এর লাশ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।

সম্পা আক্তার আলগী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে। সে বড়দিয়া গ্রামের প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেনে এক সময়ের শিক্ষিকা ছিলেন।

শুক্রবার (৩ জুন) বিকেলে স্থানীয়রা সম্পাকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

সম্পার পিতা খলিলুর রহমান জানান, সম্পা আক্তার মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। ৩ বছর যাবৎ এ সমস্যা ভুগছিল। আমরা তার চিকিৎসা করাচ্ছিলাম। এ রোগে আক্রান্ত হবার আগে সে স্থানীয় প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেনে শিক্ষকতা করতেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সে বাড়িতে ছিল। তার পর আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি। বিকালে এলাকাবাসী তার লাশ বিদ্যালয় কক্ষে দেখে বাড়িতে খবর দেয়।

ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ জুয়েল মিয়া জানান, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি কক্ষে সম্পার লাশ পাওয়া যায়। সম্পা এক সময়ে গ্রামের একটি কিন্ডার গার্টেনে শিক্ষিকা পদে চাকুরী করত। তিন বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। ধারনা করা হচ্ছে তামাক জাতীয় গুল খেয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তার পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে রাতেই বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ.বি.এ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি টিনের ঘরের দরজা বিহীন কক্ষে সম্পা আক্তারের লাশ পাওয়া গিয়েছে। বিদ্যালয়ে ৪ তলা নতুন ভবন হওয়ার পর ঐ টিনের ঘরটি ক্লাসরুম হিসাবে আর ব্যবহৃত হয় না।