ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, নিহত ৯ পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ডাচদের বিপক্ষে পয়েন্ট তুলে নেয় জাপান ১২ বছর বাদে আবারও ‘সেভেন আপ’ কাণ্ড জার্মানির এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৪ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৫ জুন ২০২৬ ফরিদপুরে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘পিকান’ প্রকল্পের প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীর আহমেদকে অতি দ্রুতই দেশে ফেরত আনা হবে সংসদে জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি দিতে হবে

চলতি মাসের প্রথম ৮ দিনে ৫১ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে

চলতি মাসের প্রথম ৮ দিনে ৫১ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এলো ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, মার্চের প্রথম ৮ দিনে দেশে এসেছে ৫১ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৭ লাখ ২০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ৯০ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ২১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ।

প্রবাসী আয়ের নাজুক অবস্থা গত কয়েক মাসে কিছুটা কাটিয়ে ওঠার মধ্যে এ পরিমাণ রেমিটেন্স চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একক মাসে সর্বোচ্চ ছিল।

এর আগের মাস জানুয়ারিতে চলতি অর্থবছরে প্রথমবারের মতো দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়, প্রবাসীদের ও তাদের সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে জমা হয় ২১১ কোটি ৩১ লাখ ডলার।

২০২২-২৩ অর্থবছরের শেষ মাস জুনের পর সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারিতে এতটা বেশি রেমিটেন্স এসেছে। গত জুনে এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

গত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫৬ কোটি ডলার এসেছিল দেশে। ওই সময় দৈনিক গড়ে রেমিটেন্স এসেছিল পাঁচ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

রেমিটেন্সের এই উল্লম্ফনের পর রিজার্ভ বেড়ে গ্রস হিসাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ছিল ২৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম৬ পদ্ধতির গ্রস হিসাবে তা ২১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার।

সাধারণত রোজা, ঈদ, বাংলা নববর্ষকে ঘিরে প্রবাসীরা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি অর্থ দেশে পাঠিয়ে থাকেন। এবার মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে রোজা শুরু হতে যাচ্ছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হবে ঈদ।

তাই রেমিটেন্স প্রবাহ আরও বাড়তে পারে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

Tag :

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, নিহত ৯

চলতি মাসের প্রথম ৮ দিনে ৫১ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে

Update Time : ০৬:১৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪

চলতি মাসের প্রথম ৮ দিনে ৫১ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এলো ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, মার্চের প্রথম ৮ দিনে দেশে এসেছে ৫১ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৭ লাখ ২০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ৯০ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ২১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ।

প্রবাসী আয়ের নাজুক অবস্থা গত কয়েক মাসে কিছুটা কাটিয়ে ওঠার মধ্যে এ পরিমাণ রেমিটেন্স চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একক মাসে সর্বোচ্চ ছিল।

এর আগের মাস জানুয়ারিতে চলতি অর্থবছরে প্রথমবারের মতো দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়, প্রবাসীদের ও তাদের সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে জমা হয় ২১১ কোটি ৩১ লাখ ডলার।

২০২২-২৩ অর্থবছরের শেষ মাস জুনের পর সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারিতে এতটা বেশি রেমিটেন্স এসেছে। গত জুনে এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

গত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫৬ কোটি ডলার এসেছিল দেশে। ওই সময় দৈনিক গড়ে রেমিটেন্স এসেছিল পাঁচ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

রেমিটেন্সের এই উল্লম্ফনের পর রিজার্ভ বেড়ে গ্রস হিসাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ছিল ২৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম৬ পদ্ধতির গ্রস হিসাবে তা ২১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার।

সাধারণত রোজা, ঈদ, বাংলা নববর্ষকে ঘিরে প্রবাসীরা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি অর্থ দেশে পাঠিয়ে থাকেন। এবার মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে রোজা শুরু হতে যাচ্ছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হবে ঈদ।

তাই রেমিটেন্স প্রবাহ আরও বাড়তে পারে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।