ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করলেন স্নিগ্ধ

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন। এ সময় সদ্য সাবেক সিইও জুলাই ফাউন্ডেশনের নতুন সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবরকে পরিচয় করিয়ে দেন।

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করলেন স্নিগ্ধ সংবাদ সম্মেলনে স্নিগ্ধ বলেন, আমাদের গভর্নিং বডির সদস্য সংখ্যা ৬ জন। এই বডি থেকে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করেছেন। আমাকে এখন গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত আর্থিক অনুদানের ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ পেয়েছি। যারা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনে অনুদান দেবে তাদের সেই টাকার ওপর ভ্যাট বা ট্যাক্স হবে না। এ ছাড়া কল সেন্টার চালু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য ইতোমধ্যে পাঁচটি মামলা করা হয়েছে। শহীদ এবং আহত পরিবার মিলিয়ে ১২টি আইনি সেবা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ জন শহীদ পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Tag :

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করলেন স্নিগ্ধ

Update Time : ০৬:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন। এ সময় সদ্য সাবেক সিইও জুলাই ফাউন্ডেশনের নতুন সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবরকে পরিচয় করিয়ে দেন।

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করলেন স্নিগ্ধ সংবাদ সম্মেলনে স্নিগ্ধ বলেন, আমাদের গভর্নিং বডির সদস্য সংখ্যা ৬ জন। এই বডি থেকে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করেছেন। আমাকে এখন গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত আর্থিক অনুদানের ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ পেয়েছি। যারা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনে অনুদান দেবে তাদের সেই টাকার ওপর ভ্যাট বা ট্যাক্স হবে না। এ ছাড়া কল সেন্টার চালু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য ইতোমধ্যে পাঁচটি মামলা করা হয়েছে। শহীদ এবং আহত পরিবার মিলিয়ে ১২টি আইনি সেবা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ জন শহীদ পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।