দেশে টানা আট দিনের সর্বাত্মক লকডাউনের আজ চলছে দ্বিতীয় দিনের লকডাউন। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকেই সড়কের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে দেখা গেছে পুলিশের চেক পোস্ট। প্রধান সড়ক দিয়ে রিকসা চলাচলেও কঠোর অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে সময় যতই বাড়ছে রাজধানীর সড়কে ততই প্রাইভেটকারের সংখ্যা বেড়ে চলছে।
এদিকে দিনের লকডাউনে বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত গার্মেন্টস শিল্প এবং ব্যাংক খোলার কারণে তাদের কর্মীদের কর্মস্থলে পৌঁছানো কতটা নির্বিঘ্ন হয়, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।
প্রথম দিনের লকডাউনের চিত্রে দেখা গেছে, সড়কে কিছু প্রাইভেট কার ছাড়া আর তেমন কিছু চলতে দেখা যায়নি। মানুষজনের রিকসা দিয়ে যাতাযাতেও কঠোর ছিল পুলিশ। এছাড়া মুভমেন্ট পাশ ছাড়া কেউ বের হলে তাকেই সম্মুখীন হতে হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। প্রথম দিনের লকডাউন মোটামুটি ভালোভাবেই বাস্তবায়িত হয়েছে। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে মানুষের মাঝে লকডাউন মানার প্রবণতা লক্ষ্যে করা গেছে। অবশ্য এদিন পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটি এবং প্রথম রোজার দিন হওয়ায় মানুষের বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা এমনিতেই কম ছিল।
মুভমেন্ট পাস ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে ৩৩ ঘণ্টায় মোট সাত কোটি ৮১ লাখ নাগরিক মুভমেন্ট পাস ওয়েবসাইটে ঢুকেছে। ফলে শুরু থেকে এই সাইটি নিয়ন্ত্রণ করতে হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে পুলিশ সদর দফতর জানায়, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ওয়েবসাইটে সাত কোটি ৮১ লাখ হিট হয়েছে। সে হিসাবে, প্রতি মিনিটে হিট হয়েছে ২১ হাজার ৩৩৭টি। তবে তাদের সবাই পাসের জন্য আবেদন করেননি। গত ৩৩ ঘণ্টায় তিন লাখ ১০ হাজার জন মুভমেন্ট পাসের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার জনের নামে মুভমেন্ট পাস ইস্যু করা হয়েছে।
সর্বাত্মক লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে চলাচলের জন্য ১৪টি শ্রেণিতে ‘মুভমেন্ট পাস’ দেবে পুলিশ। এই পাসধারী ব্যক্তি সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন। তবে এই পাস সবাইকে দেওয়া হবে না। শুধু জরুরি সেবার প্রয়োজনে এই পাস দেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৪ এপ্রিল সারা দেশে লকডাউনের ব্যাপারে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অনলাইন ডেস্ক 




















