ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতিসংঘের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালালো কর্মীরা ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ ছাড়াল আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর ‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ভারত: সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু ফরিদপুরে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চিড়িয়াখানায় ‘ডনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ, দেখতে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী

কৃষ্ণসাগর রুশ নৌবহরের এক ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ আগুন এবং গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

রাশিয়া বলছে, কৃষ্ণসাগরে তাদের নৌবহরের এক ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ আগুন এবং গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, মিসাইলবাহী জাহাজ মস্কভার সব ক্রুকে জাহাজ থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে, এবং আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলছে, মস্কভায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে জাহাজে রাখা গোলাবারুদ একের পর এক বিস্ফোরিত হয়।

কীভাবে এই আগুন কেন লাগে সে সম্পর্কে বিবৃতিতে কোনো কারণ দেখানো হয়নি।

তবে ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের গভর্নর বলছেন, ইউক্রেন বাহিনীর ছোঁড়া দুটি নেপচুন মিসাইল মস্কভার ওপর আঘাত হেনেছে।

কৃষ্ণসাগরের এই নৌবহর থেকে রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষভাবে মারিউপোলের ওপর, মিসাইল হামলা চালানো হয়।

ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ হচ্ছে কোনো নৌবহরের নেতৃত্বদানকারী জাহাজ যেটি অধিনায়ক ব্যবহার করেন।

নৌবহরের অন্যান্য জাহাজের তুলনায় ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ সাধারণত খুবই দ্রুতগামী এবং শক্তিশালী হয়।

ক্রুজার মস্কভা ২০০০ সাল থেকে কৃষ্ণ সাগরে রুশ নৌবহরের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল।

রাশিয়া ম্যারিটাইম স্টাডিজ ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক মাইকেল পিটারসন বিবিসিকে জানান, ১২ হাজার ৫০০ টন ওজনের জাহাজ মস্কভা রুশ নৌশক্তির অন্যতম প্রতীক।

সিরিয়াসহ রাশিয়ার বহু সামরিক অভিযানে এই জাহাজটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

লক্ষণীয় ব্যাপার হলো এখন ইউক্রেনের ওপর হামলার কাজে এই জাহাজটি ব্যবহার করা হলেও ১৯৮০ দশকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ইউক্রেনের এক ডকইয়ার্ডে জাহাজটি নির্মাণ করা হয়।

বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাংক গার্ডনার বলছেন, সামরিক এবং মনোবলের দিক থেকে এটা রাশিয়ার জন্য বড় আঘাত।

মস্কভা জাহাজ নিয়ে আলোচনা ছিল ইউক্রেন যুদ্ধের গোড়ার দিকে।

সে সময় একটি দ্বীপ স্নেক আইল্যান্ডে এই জাহাজ গিয়ে সেখানে মোতায়েন সব ইউক্রেনীয় সৈন্যকে আত্মসমর্পণ করার জন্য হুমকি দেয়।

কিন্তু ওই জাহাজ থেকে মিসাইল হামলার মুখে ইউক্রেনের সৈন্যরা জবাব দেয়- জাহান্নামে যাও।

ফ্র্যাংক গার্ডনার লিখছেন, এখন মস্কভায় এই ঘটনার পর অধিকতর নিরাপত্তার স্বার্থে রুশ জাহাজগুলোকে উপকূল থেকে আরো দূরে সরে যেতে হবে।

একদা ক্ষমতাধর জাহাজ মস্কভার এই পরিণতিকে এক উপযুক্ত বিচার বলে বিবেচনা করা যায়, তিনি লিখছেন।

সূত্র : বিবিসি

Tag :

জাতিসংঘের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

কৃষ্ণসাগর রুশ নৌবহরের এক ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ আগুন এবং গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

Update Time : ০৩:৫৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২২

রাশিয়া বলছে, কৃষ্ণসাগরে তাদের নৌবহরের এক ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ আগুন এবং গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, মিসাইলবাহী জাহাজ মস্কভার সব ক্রুকে জাহাজ থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে, এবং আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলছে, মস্কভায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে জাহাজে রাখা গোলাবারুদ একের পর এক বিস্ফোরিত হয়।

কীভাবে এই আগুন কেন লাগে সে সম্পর্কে বিবৃতিতে কোনো কারণ দেখানো হয়নি।

তবে ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের গভর্নর বলছেন, ইউক্রেন বাহিনীর ছোঁড়া দুটি নেপচুন মিসাইল মস্কভার ওপর আঘাত হেনেছে।

কৃষ্ণসাগরের এই নৌবহর থেকে রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষভাবে মারিউপোলের ওপর, মিসাইল হামলা চালানো হয়।

ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ হচ্ছে কোনো নৌবহরের নেতৃত্বদানকারী জাহাজ যেটি অধিনায়ক ব্যবহার করেন।

নৌবহরের অন্যান্য জাহাজের তুলনায় ফ্ল্যাগশীপ জাহাজ সাধারণত খুবই দ্রুতগামী এবং শক্তিশালী হয়।

ক্রুজার মস্কভা ২০০০ সাল থেকে কৃষ্ণ সাগরে রুশ নৌবহরের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল।

রাশিয়া ম্যারিটাইম স্টাডিজ ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক মাইকেল পিটারসন বিবিসিকে জানান, ১২ হাজার ৫০০ টন ওজনের জাহাজ মস্কভা রুশ নৌশক্তির অন্যতম প্রতীক।

সিরিয়াসহ রাশিয়ার বহু সামরিক অভিযানে এই জাহাজটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

লক্ষণীয় ব্যাপার হলো এখন ইউক্রেনের ওপর হামলার কাজে এই জাহাজটি ব্যবহার করা হলেও ১৯৮০ দশকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ইউক্রেনের এক ডকইয়ার্ডে জাহাজটি নির্মাণ করা হয়।

বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাংক গার্ডনার বলছেন, সামরিক এবং মনোবলের দিক থেকে এটা রাশিয়ার জন্য বড় আঘাত।

মস্কভা জাহাজ নিয়ে আলোচনা ছিল ইউক্রেন যুদ্ধের গোড়ার দিকে।

সে সময় একটি দ্বীপ স্নেক আইল্যান্ডে এই জাহাজ গিয়ে সেখানে মোতায়েন সব ইউক্রেনীয় সৈন্যকে আত্মসমর্পণ করার জন্য হুমকি দেয়।

কিন্তু ওই জাহাজ থেকে মিসাইল হামলার মুখে ইউক্রেনের সৈন্যরা জবাব দেয়- জাহান্নামে যাও।

ফ্র্যাংক গার্ডনার লিখছেন, এখন মস্কভায় এই ঘটনার পর অধিকতর নিরাপত্তার স্বার্থে রুশ জাহাজগুলোকে উপকূল থেকে আরো দূরে সরে যেতে হবে।

একদা ক্ষমতাধর জাহাজ মস্কভার এই পরিণতিকে এক উপযুক্ত বিচার বলে বিবেচনা করা যায়, তিনি লিখছেন।

সূত্র : বিবিসি