ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়ের রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত একান্তই তার নিজের এবং দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৫৭:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৩১৩ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে সরকার নানা ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে। তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত একান্তই তার নিজের এবং দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। রবিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনালকে (এএনআই)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেখুন, সে এখন একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। তাই এটা তার ব্যাপার। কিন্তু সে দেশের জন্য কাজ করছে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ, এত সব স্যাটেলাইট, সাবমেরিন কেবল কিংবা কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো এতো সব ডিজিটাল ব্যবস্থা তার পরামর্শেই নেওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, সে আমাকে সহযোগিতা করছে। তবে কখনও দল কিংবা সরকারে কোনও পদ পাওয়ার কথা ভাবেনি।

দলীয় এক অনুষ্ঠানে জয়কে দলের পদ দেওয়ার জন্য কর্মীদের জোরালো দাবি কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এমনকি আমাদের দলীয় সম্মেলনে পর্যন্ত তার জন্য জোরালো দাবি উঠেছিল। তখন আমি তাকে বললাম, মাইক্রোফোনের কাছে গিয়ে বলো, তুমি কী চাও। সে তাই করলো। বললো, এই মুহূর্তে আমি দলে কোনও পদ চাই না। বরং যারা এখানে কাজ করছেন তাদের এই পদ পাওয়া উচিত। কেন আমি একটা পদ দখল করে রাখবো? আমি আমার মায়ের সঙ্গে আছি। দেশের জন্য কাজ করছি। তাকে সহযোগিতা করছি। এটা আমি করে যাবো। সে এভাবেই চিন্তা করে। ফলে এমন নয় যে, আমাকেই তাকে তৈরি করতে হবে কিংবা এটা আমাকেই করতে হবে।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের কী কর্মীদের চাওয়ার প্রতি সায় দেওয়া উচিত? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা জনগণের ওপর নির্ভর করছে। আর পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি বাংলাদেশে কোনও ইস্যু নয়।

Tag :
জনপ্রিয়

জয়ের রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত একান্তই তার নিজের এবং দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Update Time : ১১:৫৭:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে সরকার নানা ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে। তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত একান্তই তার নিজের এবং দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। রবিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনালকে (এএনআই)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেখুন, সে এখন একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। তাই এটা তার ব্যাপার। কিন্তু সে দেশের জন্য কাজ করছে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ, এত সব স্যাটেলাইট, সাবমেরিন কেবল কিংবা কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো এতো সব ডিজিটাল ব্যবস্থা তার পরামর্শেই নেওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, সে আমাকে সহযোগিতা করছে। তবে কখনও দল কিংবা সরকারে কোনও পদ পাওয়ার কথা ভাবেনি।

দলীয় এক অনুষ্ঠানে জয়কে দলের পদ দেওয়ার জন্য কর্মীদের জোরালো দাবি কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এমনকি আমাদের দলীয় সম্মেলনে পর্যন্ত তার জন্য জোরালো দাবি উঠেছিল। তখন আমি তাকে বললাম, মাইক্রোফোনের কাছে গিয়ে বলো, তুমি কী চাও। সে তাই করলো। বললো, এই মুহূর্তে আমি দলে কোনও পদ চাই না। বরং যারা এখানে কাজ করছেন তাদের এই পদ পাওয়া উচিত। কেন আমি একটা পদ দখল করে রাখবো? আমি আমার মায়ের সঙ্গে আছি। দেশের জন্য কাজ করছি। তাকে সহযোগিতা করছি। এটা আমি করে যাবো। সে এভাবেই চিন্তা করে। ফলে এমন নয় যে, আমাকেই তাকে তৈরি করতে হবে কিংবা এটা আমাকেই করতে হবে।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের কী কর্মীদের চাওয়ার প্রতি সায় দেওয়া উচিত? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা জনগণের ওপর নির্ভর করছে। আর পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি বাংলাদেশে কোনও ইস্যু নয়।