ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই সিটির দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার অন্তত ৭০ শতাংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু কাল শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে যেসব কর্মসূচি নিল বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরো ১০ শিশুর মৃত্যু আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ ও বিচার চেয়ে উকিল নোটিস আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ত্রুটি পেয়েছে তদন্ত কমিটি ফরিদপুরে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে, আরও ২ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশে চীনা মিসাইল কারখানা তৈরির খবর খতিয়ে দেখবে বেইজিং

বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে মিলিটারি বেইজ বা সামরিক কোনো সরাঞ্জম তৈরির কাজ করে না চীন। কোনো দেশ চাইলে সামরিক সরঞ্জাম ব্যবস্খাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে। বাংলাদেশে চীনা মিসাইল কারখানা তৈরির খবর খতিয়ে দেখবে বেইজিং।

আজ রবিবার (১৩ মার্চ) ‘বসন্তে চীনের সঙ্গে সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

জাপানি সংবাদ মাধ্যম নিক্কিতে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে মিসাইল তৈরির কারখানা করেছে চীন’- এমন খবর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাবে তিনি বলেন, এরকম খবর খতিয়ে দেখার জন্য বেইজিংয়ে বার্তা পাঠাবো।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে লি জিমিং বলেন, দুটি দেশই চীনের বন্ধু দেশ। বর্তমানে একমাত্র কাজ হলো টেনশন সমাপ্ত করা, মানবাধিকার সংকট থেকে রক্ষা করা দরকার। তৃতীয় হলো এটি তদন্ত করা দেখা যুদ্ধ কেন শুরু হলো। এটির ঐতিহাসিক কি কারণ থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সমর্থন করছি না। আমরা বলছি, আসুন বসুন। এক কাপ চা খান। আলোচনা করে এ সংকটের সমাপ্ত করুন। এই সংকট আলোচনা করে শেষ করা যেতে পারে। ’

জাতিসংঘে ইউক্রেন নিয়ে বাংলাদেশের পদক্ষেপ নিয়ে রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, বাংলাদেশ যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার উত্তরে বলেছে তারা সারা বিশ্বে শান্তি চায়। তাইওয়ান সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, পানির মত পরিষ্কার করে বলতে চাই, তাইওয়ান ইস্যু চীনের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়। এক চীন নীতি গোটা বিশ্ব মেনে চলে, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত।

ইন্দোপ্যাসিফিক করিডোর আইপিএস, কোয়াডসহ এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিভিন্ন উদ্যোগ চীন বিরোধী। এসব কৌশলে নিয়ে বাংলাদেশ বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূতের। রোহিঙ্গা নিয়ে প্রশ্নের উত্তর বলেন, আমরা এ নিয়ে খুবই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার দুই দেশই চীনের ভালো বন্ধু। কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভালো কিছু ঘটেনি। তবে চেষ্টা চলছে, কীভাবে রোহিঙ্গাদের অবস্থার উন্নতি ঘটানো যায়।

Tag :

বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই সিটির দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার

বাংলাদেশে চীনা মিসাইল কারখানা তৈরির খবর খতিয়ে দেখবে বেইজিং

Update Time : ০৭:২৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে মিলিটারি বেইজ বা সামরিক কোনো সরাঞ্জম তৈরির কাজ করে না চীন। কোনো দেশ চাইলে সামরিক সরঞ্জাম ব্যবস্খাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে। বাংলাদেশে চীনা মিসাইল কারখানা তৈরির খবর খতিয়ে দেখবে বেইজিং।

আজ রবিবার (১৩ মার্চ) ‘বসন্তে চীনের সঙ্গে সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

জাপানি সংবাদ মাধ্যম নিক্কিতে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে মিসাইল তৈরির কারখানা করেছে চীন’- এমন খবর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাবে তিনি বলেন, এরকম খবর খতিয়ে দেখার জন্য বেইজিংয়ে বার্তা পাঠাবো।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে লি জিমিং বলেন, দুটি দেশই চীনের বন্ধু দেশ। বর্তমানে একমাত্র কাজ হলো টেনশন সমাপ্ত করা, মানবাধিকার সংকট থেকে রক্ষা করা দরকার। তৃতীয় হলো এটি তদন্ত করা দেখা যুদ্ধ কেন শুরু হলো। এটির ঐতিহাসিক কি কারণ থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সমর্থন করছি না। আমরা বলছি, আসুন বসুন। এক কাপ চা খান। আলোচনা করে এ সংকটের সমাপ্ত করুন। এই সংকট আলোচনা করে শেষ করা যেতে পারে। ’

জাতিসংঘে ইউক্রেন নিয়ে বাংলাদেশের পদক্ষেপ নিয়ে রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, বাংলাদেশ যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার উত্তরে বলেছে তারা সারা বিশ্বে শান্তি চায়। তাইওয়ান সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, পানির মত পরিষ্কার করে বলতে চাই, তাইওয়ান ইস্যু চীনের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়। এক চীন নীতি গোটা বিশ্ব মেনে চলে, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত।

ইন্দোপ্যাসিফিক করিডোর আইপিএস, কোয়াডসহ এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিভিন্ন উদ্যোগ চীন বিরোধী। এসব কৌশলে নিয়ে বাংলাদেশ বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূতের। রোহিঙ্গা নিয়ে প্রশ্নের উত্তর বলেন, আমরা এ নিয়ে খুবই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার দুই দেশই চীনের ভালো বন্ধু। কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভালো কিছু ঘটেনি। তবে চেষ্টা চলছে, কীভাবে রোহিঙ্গাদের অবস্থার উন্নতি ঘটানো যায়।