ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ছে বিড়ি-সিগারেট ও জর্দার দাম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ১৮৬ Time View
প্রস্তাবিত বাজেটে (২০২৪-২৫) তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাড়ছে বিড়ি-সিগারেট ও জর্দার দাম।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ প্রস্তাব করেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সিগারেট/বিড়ি পেপার এর স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে মূসকের হার ৭.৫ শতাংশের পরিবর্তে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।
বাজেট প্রস্তাবনায় মন্ত্রী বলেন, সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ৫০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করছি। এছাড়া মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ৭০ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ১২০ টাকা ও তদূর্ধ্ব, অতি-উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ১৬০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং এই তিনটি স্তরের সম্পূরক শুল্ক ৬৫.৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।
জর্দার বিষয়ে বাজেটে মন্ত্রী বলেন, প্রতি দশ গ্রাম জর্দার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৪৮ টাকা এবং প্রতি দশ গ্রাম গুলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।
Tag :

বাড়ছে বিড়ি-সিগারেট ও জর্দার দাম

Update Time : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
প্রস্তাবিত বাজেটে (২০২৪-২৫) তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাড়ছে বিড়ি-সিগারেট ও জর্দার দাম।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ প্রস্তাব করেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সিগারেট/বিড়ি পেপার এর স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে মূসকের হার ৭.৫ শতাংশের পরিবর্তে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।
বাজেট প্রস্তাবনায় মন্ত্রী বলেন, সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ৫০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করছি। এছাড়া মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ৭০ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ১২০ টাকা ও তদূর্ধ্ব, অতি-উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার মূল্যস্তর ১৬০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং এই তিনটি স্তরের সম্পূরক শুল্ক ৬৫.৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।
জর্দার বিষয়ে বাজেটে মন্ত্রী বলেন, প্রতি দশ গ্রাম জর্দার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৪৮ টাকা এবং প্রতি দশ গ্রাম গুলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।