ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামই আবার বেড়েছে, কমেছে ডিম ও মুরগির বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৮ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৮ জুন ২০২৬ ফরিদপুরে পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন-সিবিএ -এর শিল্প বিরোধ উত্থাপন সভা জিয়া সৈনিক দলের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি’র ফরিদপুর জেলা ও বিভাগীয় সম্মেলন -কে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে সাবেক মন্ত্রী ও সংবিধান রচয়িতা গৌর চন্দ্র বালার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির পরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ইংল্যান্ডের দারুণ শুরু

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের পর কারও কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা

নগদ ডলারের সংকট মেটাতে ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারে পরিদর্শন কার্যক্রমের পাশাপাশি এবার ব্যক্তিগতভাবে কারও কাছে থাকা অতিরিক্ত ডলার বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এজন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর কারও কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনো বাংলাদেশি বিদেশ থেকে ফেরার সময় ১০ হাজার ডলার বা সমপরিমাণ অন্য যেকোনো মুদ্রা সঙ্গে আনতে পারেন। এই ডলার তারা নগদ সংরক্ষণ করতে পারেন, আবার বিদেশি মুদ্রার ব্যাংক হিসাবেও জমা রাখতে পারেন। এর বেশি ডলার সঙ্গে থাকলে তা দেশে ফেরার এক মাসের মধ্যে মানি চেঞ্জার বা ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে দেয়া বাধ্যতামূলক। আর যারা কখনো বিদেশ যাননি, তাদের ডলার ধরে রাখার আইনগত কোনো সুযোগ নেই। আবার কেউ বিদেশে যাওয়ার জন্য বৈধ কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় ডলার রাখতে পারেন।

এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে মানুষের হাতে থাকা অতিরিক্ত ডলার ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিক্রি করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কোনো ব্যক্তি বিদেশ থেকে সঙ্গে আনা সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে বা অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে পারেন। পরবর্তী বিদেশযাত্রায় এসব মুদ্রা সঙ্গে নিয়েও যেতে পারেন। ১০ হাজার ডলারের অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসার এক মাসের মধ্যে ব্যাংকে বা লাইসেন্সধারী যেকোনো মানি চেঞ্জারে বিক্রি বা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত ডলার ধারণ করা ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭-এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমন বৈদেশিক মুদ্রা থাকলে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যাংকে বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের পর কারো কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ব্যাংকের পাশাপাশি খোলাবাজারেও এখন ডলার সংকট চলছে। এর ফলে খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২০ টাকা উঠেছিল, এখন যা ১০৫-১১০ টাকা।

Tag :

খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামই আবার বেড়েছে, কমেছে ডিম ও মুরগির

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের পর কারও কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা

Update Time : ০৫:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

নগদ ডলারের সংকট মেটাতে ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারে পরিদর্শন কার্যক্রমের পাশাপাশি এবার ব্যক্তিগতভাবে কারও কাছে থাকা অতিরিক্ত ডলার বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এজন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর কারও কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনো বাংলাদেশি বিদেশ থেকে ফেরার সময় ১০ হাজার ডলার বা সমপরিমাণ অন্য যেকোনো মুদ্রা সঙ্গে আনতে পারেন। এই ডলার তারা নগদ সংরক্ষণ করতে পারেন, আবার বিদেশি মুদ্রার ব্যাংক হিসাবেও জমা রাখতে পারেন। এর বেশি ডলার সঙ্গে থাকলে তা দেশে ফেরার এক মাসের মধ্যে মানি চেঞ্জার বা ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে দেয়া বাধ্যতামূলক। আর যারা কখনো বিদেশ যাননি, তাদের ডলার ধরে রাখার আইনগত কোনো সুযোগ নেই। আবার কেউ বিদেশে যাওয়ার জন্য বৈধ কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় ডলার রাখতে পারেন।

এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে মানুষের হাতে থাকা অতিরিক্ত ডলার ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিক্রি করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কোনো ব্যক্তি বিদেশ থেকে সঙ্গে আনা সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে বা অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে পারেন। পরবর্তী বিদেশযাত্রায় এসব মুদ্রা সঙ্গে নিয়েও যেতে পারেন। ১০ হাজার ডলারের অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসার এক মাসের মধ্যে ব্যাংকে বা লাইসেন্সধারী যেকোনো মানি চেঞ্জারে বিক্রি বা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত ডলার ধারণ করা ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭-এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমন বৈদেশিক মুদ্রা থাকলে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যাংকে বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের পর কারো কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ব্যাংকের পাশাপাশি খোলাবাজারেও এখন ডলার সংকট চলছে। এর ফলে খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২০ টাকা উঠেছিল, এখন যা ১০৫-১১০ টাকা।