ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ আগস্ট ২০২৬ এসএসসিতে এবার জিপিএ-৫ পেলো ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ ও পাসের হারের নিরিখে অন্য বছরগুলোর মতোই এবারও মেয়েরা এগিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮২ দিন পর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে আজ, জানা যাবে তিনভাবে

ক্লিন-ফিড দেয় এমন ২০টিরও বেশি বিদেশী চ্যানেল আবারো চালু হয়েছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:৫৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
  • ৩৭৮ Time View

বাংলাদেশে ক্লিন-ফিড দেয় এমন ২০টিরও বেশি বিদেশী চ্যানেল আবারো চালু হয়েছে। পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর চ্যানেলগুলো চালু হওয়ার কথা জানিয়েছেন কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার পারভেজ।

সম্প্রতি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে ক্লিন-ফিড দেয় এমন চ্যানেলের সম্প্রচার অব্যাহত রাখার বিষয়ে দেয়া এক নির্দেশের পর এই পদক্ষেপ আসলো।

তবে ক্লিন-ফিড না পাওয়ার কারণে ঢাকাসহ পুরো দেশে ৪০-৫০টির মতো চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ আছে।

পারভেজ বলেন, ‘ঢাকার বাইরের শহরগুলোতে ৬০টির মতো চ্যানেল চলতো। আর ঢাকাতে চলতো ৯০টি। এগুলোর মধ্যে সব মিলিয়ে এখন চালু আছে ৫০টির মতো।’

ক্লিন-ফিড না থাকা ছাড়া সম্প্রচার বন্ধ থাকার আর কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি।

যেসব চ্যানেল দেখা যাচ্ছে
বুধবার রাজধানী ঢাকা থেকে বিভিন্ন চ্যানেলগুলো খুঁজে দেখার সময় যে চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার চোখে পড়েছে সেগুলো হচ্ছে, বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ, বিবিসি আর্থ, ডি-ডাব্লিউ, সিসিটিভি, ফ্রান্স ২৪, আল জাজিরা, ফিনিক্স ইনফো নিউজ, এবিসি অস্ট্রেলিয়া, সিএনএন ইন্টারন্যাশনাল, লোটাস ম্যাকাও, এইচবিও এইচডি, সিএনবিসি গল্ফ, লাইভ স্পোর্ট, এএক্সএন এইচডি, ওয়ার্নার টিভি, এনএইচকে-ওয়ার্ল্ড জাপান, চ্যানেল নিউজ এশিয়া, এনিম্যাক্স এইচডি, সৌদি কুরান, সৌদি সুন্নাহ, কেবিএস কোরিয়া, রাশিয়া টুডে, আরিরাং, সিজিটিভি এবং ট্রাভেলএক্সপি।

বাংলাদেশে বিদেশী টিভি চ্যানেল সম্প্রচার সংক্রান্ত একটি পুরনো আইন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত পহেলা অক্টোবর থেকে দেশে সব রকম বিদেশী টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়।

আইনটিতে বলা আছে, যেসব বিদেশী চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সেসব চ্যানেল বাংলাদেশে প্রদর্শন করা যাবে না, এই নিয়ম কার্যকর করতে গিয়ে শুক্রবার বিবিসি-সিএনএনসহ সব আন্তর্জাতিক খবরের চ্যানেল, খেলার চ্যানেল এবং ভারতীয় বিনোদন চ্যানেল গুলোসহ সব বিদেশী চ্যানেলগুলো বন্ধ করে দেয় কেবল অপারেটররা, যা এখন পর্যন্ত বন্ধই রয়েছে।

কঠোর অবস্থানে সরকার
বাংলাদেশে ক্লিন-ফিড ছাড়া বিদেশী টেলিভিশন চ্যানেলগুলো আবারো চালুর বিষয়ে কঠোর অবস্থানের থাকার বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার।

রাজধানী ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বিদেশী চ্যানেল চালুর বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশী চ্যানেলগুলো ক্লিন-ফিড দিলে তবেই কেবল অপারেটররা সেগুলো আবার চালাতে পারবে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে নতুন কোর আর কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া হবে না।

সাংবাদিকদের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ডেট ১লা অক্টোবর। যারা ক্লিন-ফিডসহ চালু করতে পারবে তারা চালাতে পারবে, যারা পারবে না, তারা পারবে না। আর নতুন ডেড লাইনের কোনো দরকার নেই।’

এদিকে, ক্লিন-ফিড দেয়া টিভি চ্যানেলগুলো চালুর বিষয়ে ৪ঠা অক্টোবর বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়।

এতে ক্লিন-ফিড দেয় এমন বেশ কয়েকটি বিদেশী চ্যানেল বন্ধ না রেখে সম্প্রচার অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো কোনো বিদেশী টিভি চ্যানেল ক্লিন-ফিড দেয়া সত্ত্বেও পহেলা অক্টোবর থেকে সম্প্রচার বন্ধ রাখা হয়। এ ধরণের কর্মকাণ্ড কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন ২০০৬ এর পরিপন্থী।

বিজ্ঞপ্তিতে যেসব টিভি চ্যানেলের নাম উল্লেখ করা হয় সেগুলো হচ্ছে, কেবিএস ওয়াল্ড, এআরআইরেঞ্জ টিভি, বিবিসি, সিএনএন, আলজাজিরা এইচডি, ডিডব্লিউ, এনএইচকে ওয়াল্ড, সিজিটিএন, রাশিয়া টুডে, ফ্রান্স ২৪, লুটাস, ট্রাভল এক্সপি এইচডি, আল কোরআন, আল সুননা, ট্রাভেল এক্সপি, দূরদর্শন। এসব টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

আন্দোলন হবে কি?
পহেলা অক্টোবর থেকে ক্লিন-ফিড না থাকায় বিদেশী চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর এ নিয়ে উত্তেজনা ছিল দর্শক ও কেবল অপারেটর সংস্থাগুলোর মধ্যে।

২ অক্টোবর শনিবার কেবল অপারেটরস সমন্বয় কমিটি নামে কোয়াবের একটা অংশ চার দফা দাবি জানিয়ে একটা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। সেখানে বলা হয় যে, ৪ অক্টোবরের মধ্যে কেবল টিভি নিয়ে জটিলতার অবসান না হলে সমগ্র বাংলাদেশের ক্যাবল অপারেটরদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন তারা।

এ বিষয়ে কোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার পারভেজ বলেন, পুরো কোয়াব নয় বরং কোয়াবের একটি অংশ আন্দোলনের কথা বলেছিল। তবে এই মুহূর্তে আন্দোলনের যাওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

পারভেজ বলেন, ‘আন্দোলন কোন সমস্যার সমাধান নয়। আলোচনা করেই সমস্যার সমাধান করতে হবে।’

তিনি বলেন, কোনো চ্যানেলের ক্লিন-ফিড পাওয়া যাবে কিনা সেটি নির্ভর করে ব্রডকাস্টার এবং স্থানীয় পরিবেশক বা ডিস্ট্রিবিউটরদের উপর। সেখানে কেবল অপারেটরদের কোন ভূমিকা নেই। তবে সব পক্ষের সাথে আলোচনা চলছে।

কেবল অপারেটররা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ কবে বলে জানান কোয়াবের এই নেতা।

সূত্র : বিবিসি

Tag :

দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

ক্লিন-ফিড দেয় এমন ২০টিরও বেশি বিদেশী চ্যানেল আবারো চালু হয়েছে

Update Time : ০৩:৫৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

বাংলাদেশে ক্লিন-ফিড দেয় এমন ২০টিরও বেশি বিদেশী চ্যানেল আবারো চালু হয়েছে। পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর চ্যানেলগুলো চালু হওয়ার কথা জানিয়েছেন কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার পারভেজ।

সম্প্রতি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে ক্লিন-ফিড দেয় এমন চ্যানেলের সম্প্রচার অব্যাহত রাখার বিষয়ে দেয়া এক নির্দেশের পর এই পদক্ষেপ আসলো।

তবে ক্লিন-ফিড না পাওয়ার কারণে ঢাকাসহ পুরো দেশে ৪০-৫০টির মতো চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ আছে।

পারভেজ বলেন, ‘ঢাকার বাইরের শহরগুলোতে ৬০টির মতো চ্যানেল চলতো। আর ঢাকাতে চলতো ৯০টি। এগুলোর মধ্যে সব মিলিয়ে এখন চালু আছে ৫০টির মতো।’

ক্লিন-ফিড না থাকা ছাড়া সম্প্রচার বন্ধ থাকার আর কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি।

যেসব চ্যানেল দেখা যাচ্ছে
বুধবার রাজধানী ঢাকা থেকে বিভিন্ন চ্যানেলগুলো খুঁজে দেখার সময় যে চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার চোখে পড়েছে সেগুলো হচ্ছে, বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ, বিবিসি আর্থ, ডি-ডাব্লিউ, সিসিটিভি, ফ্রান্স ২৪, আল জাজিরা, ফিনিক্স ইনফো নিউজ, এবিসি অস্ট্রেলিয়া, সিএনএন ইন্টারন্যাশনাল, লোটাস ম্যাকাও, এইচবিও এইচডি, সিএনবিসি গল্ফ, লাইভ স্পোর্ট, এএক্সএন এইচডি, ওয়ার্নার টিভি, এনএইচকে-ওয়ার্ল্ড জাপান, চ্যানেল নিউজ এশিয়া, এনিম্যাক্স এইচডি, সৌদি কুরান, সৌদি সুন্নাহ, কেবিএস কোরিয়া, রাশিয়া টুডে, আরিরাং, সিজিটিভি এবং ট্রাভেলএক্সপি।

বাংলাদেশে বিদেশী টিভি চ্যানেল সম্প্রচার সংক্রান্ত একটি পুরনো আইন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত পহেলা অক্টোবর থেকে দেশে সব রকম বিদেশী টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়।

আইনটিতে বলা আছে, যেসব বিদেশী চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সেসব চ্যানেল বাংলাদেশে প্রদর্শন করা যাবে না, এই নিয়ম কার্যকর করতে গিয়ে শুক্রবার বিবিসি-সিএনএনসহ সব আন্তর্জাতিক খবরের চ্যানেল, খেলার চ্যানেল এবং ভারতীয় বিনোদন চ্যানেল গুলোসহ সব বিদেশী চ্যানেলগুলো বন্ধ করে দেয় কেবল অপারেটররা, যা এখন পর্যন্ত বন্ধই রয়েছে।

কঠোর অবস্থানে সরকার
বাংলাদেশে ক্লিন-ফিড ছাড়া বিদেশী টেলিভিশন চ্যানেলগুলো আবারো চালুর বিষয়ে কঠোর অবস্থানের থাকার বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার।

রাজধানী ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বিদেশী চ্যানেল চালুর বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশী চ্যানেলগুলো ক্লিন-ফিড দিলে তবেই কেবল অপারেটররা সেগুলো আবার চালাতে পারবে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে নতুন কোর আর কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া হবে না।

সাংবাদিকদের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ডেট ১লা অক্টোবর। যারা ক্লিন-ফিডসহ চালু করতে পারবে তারা চালাতে পারবে, যারা পারবে না, তারা পারবে না। আর নতুন ডেড লাইনের কোনো দরকার নেই।’

এদিকে, ক্লিন-ফিড দেয়া টিভি চ্যানেলগুলো চালুর বিষয়ে ৪ঠা অক্টোবর বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়।

এতে ক্লিন-ফিড দেয় এমন বেশ কয়েকটি বিদেশী চ্যানেল বন্ধ না রেখে সম্প্রচার অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো কোনো বিদেশী টিভি চ্যানেল ক্লিন-ফিড দেয়া সত্ত্বেও পহেলা অক্টোবর থেকে সম্প্রচার বন্ধ রাখা হয়। এ ধরণের কর্মকাণ্ড কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন ২০০৬ এর পরিপন্থী।

বিজ্ঞপ্তিতে যেসব টিভি চ্যানেলের নাম উল্লেখ করা হয় সেগুলো হচ্ছে, কেবিএস ওয়াল্ড, এআরআইরেঞ্জ টিভি, বিবিসি, সিএনএন, আলজাজিরা এইচডি, ডিডব্লিউ, এনএইচকে ওয়াল্ড, সিজিটিএন, রাশিয়া টুডে, ফ্রান্স ২৪, লুটাস, ট্রাভল এক্সপি এইচডি, আল কোরআন, আল সুননা, ট্রাভেল এক্সপি, দূরদর্শন। এসব টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

আন্দোলন হবে কি?
পহেলা অক্টোবর থেকে ক্লিন-ফিড না থাকায় বিদেশী চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর এ নিয়ে উত্তেজনা ছিল দর্শক ও কেবল অপারেটর সংস্থাগুলোর মধ্যে।

২ অক্টোবর শনিবার কেবল অপারেটরস সমন্বয় কমিটি নামে কোয়াবের একটা অংশ চার দফা দাবি জানিয়ে একটা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। সেখানে বলা হয় যে, ৪ অক্টোবরের মধ্যে কেবল টিভি নিয়ে জটিলতার অবসান না হলে সমগ্র বাংলাদেশের ক্যাবল অপারেটরদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন তারা।

এ বিষয়ে কোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার পারভেজ বলেন, পুরো কোয়াব নয় বরং কোয়াবের একটি অংশ আন্দোলনের কথা বলেছিল। তবে এই মুহূর্তে আন্দোলনের যাওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

পারভেজ বলেন, ‘আন্দোলন কোন সমস্যার সমাধান নয়। আলোচনা করেই সমস্যার সমাধান করতে হবে।’

তিনি বলেন, কোনো চ্যানেলের ক্লিন-ফিড পাওয়া যাবে কিনা সেটি নির্ভর করে ব্রডকাস্টার এবং স্থানীয় পরিবেশক বা ডিস্ট্রিবিউটরদের উপর। সেখানে কেবল অপারেটরদের কোন ভূমিকা নেই। তবে সব পক্ষের সাথে আলোচনা চলছে।

কেবল অপারেটররা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ কবে বলে জানান কোয়াবের এই নেতা।

সূত্র : বিবিসি