ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে তিনজন নিহত

গাজীপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। রোববার সকালে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার নম্মানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন দক্ষিণগাঁও এলাকার মৃত আলম হোসেনের ছেলে নাঈম (১৮), একই গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে ফারুক (২৬) ও হিরণ মিয়ার ছেলে রবিন (১৫)

তবে পুলিশ রবিন নিহতের সত্যতা দুপুর পর্যন্ত নিশ্চিত করেনি। এ ঘটনায় আহত ইসমাইলের ছেলে হৃদয় এবং অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একজন নারীকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে রোববার সকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এসময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নাঈম, ফারুক ও রবিন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক নাঈম ও ফারুককে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় রবিনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক রবিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাপাসিয়া থানার ওসি এএসএম নাসিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নাঈম ও ফারুক মনোহরদী হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান। রবিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় বলে শুনেছি।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

Tag :

গাজীপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে তিনজন নিহত

Update Time : ০৯:৪৫:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ মার্চ ২০২২

গাজীপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। রোববার সকালে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার নম্মানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন দক্ষিণগাঁও এলাকার মৃত আলম হোসেনের ছেলে নাঈম (১৮), একই গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে ফারুক (২৬) ও হিরণ মিয়ার ছেলে রবিন (১৫)

তবে পুলিশ রবিন নিহতের সত্যতা দুপুর পর্যন্ত নিশ্চিত করেনি। এ ঘটনায় আহত ইসমাইলের ছেলে হৃদয় এবং অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একজন নারীকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে রোববার সকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এসময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নাঈম, ফারুক ও রবিন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক নাঈম ও ফারুককে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় রবিনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক রবিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাপাসিয়া থানার ওসি এএসএম নাসিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নাঈম ও ফারুক মনোহরদী হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান। রবিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় বলে শুনেছি।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।