ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতিসংঘের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালালো কর্মীরা ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ ছাড়াল আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর ‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ভারত: সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু ফরিদপুরে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চিড়িয়াখানায় ‘ডনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ, দেখতে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী

ডনবাস অঞ্চলে রুশ অগ্রাভিযানের আরও কয়েকটি চেষ্টা ইউক্রেন ব্যর্থ করে দিয়েছে

ডনবাসের বিভিন্ন শহরের রুশ বাহিনী অবিরাম গোলা বর্ষণ করছে। তবে ইউক্রেন বলছে, ডনবাস অঞ্চলে রুশ অগ্রাভিযানের আরও কয়েকটি চেষ্টা তারা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

পূর্ব ইউক্রেনের লুহান্সকের গভর্নর বলেছেন, ওই অঞ্চলে কোনো বিরতি ছাড়াই রুশরা তাদের গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। তবে তা সত্ত্বেও ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধ তারা ভাঙ্গতে পারেনি।

গভর্নর সেরহি হাইডাই জানিয়েছেন, লড়াই চলছে যেসব এলাকায়, সেখান থেকে বেসামরিক মানুষদের উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।

পাশের দুটি অঞ্চল দোনৎস্ক এবং খারকিভেও রুশরা নতুন করে তীব্র আক্রমণ চালাচ্ছে।

রাশিয়া দাবি করছে, তারা শত্রুপক্ষের চারশোর বেশি টার্গেটের ওপর গোলা হামলা চালিয়েছে।

ব্রিটেনের সামরিক গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মতে, রুশ বাহিনী এখনো সেখানে তীব্র প্রতিরোধের মুখোমুখি হচ্ছে।

ওদিকে রাশিয়া দাবি করছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এপর্যন্ত ইউক্রেন থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাশিয়ায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, এদের মধ্যে এক লাখ ২০ হাজার বিদেশি নাগরিক, এবং বিচ্ছিন্ন দুটি প্রজাতন্ত্র দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক থেকে উদ্ধার করে আনা মানুষও রয়েছে।

ইউক্রেন বারবার এরকম অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়া জোর করে এসব মানুষদের নিয়ে গেছে এবং তাদের জিম্মি হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইউক্রেনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে বলেছেন, রাশিয়া এর আগে যুদ্ধবন্দী বিনিময়ের জন্য এই বেসামরিক জিম্মিদের ব্যবহার করেছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের সেনারা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম সপ্তাহে জেলেনস্কি ছিলেন তটস্থ। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি জেনারেলদের কাছ থেকে হালনাগাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইতেন। পরে অবশ্য তিনি যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার এ সময় বদলে ফেলেন। এরপর থেকে তিনি ঘুম থেকে উঠে সবার আগে সকালের খাবার খেয়ে নেন। এরপর তিনি গিয়ে বসে নিজের কার্যালয়ে। সূত্র: বিবিসি

Tag :

জাতিসংঘের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

ডনবাস অঞ্চলে রুশ অগ্রাভিযানের আরও কয়েকটি চেষ্টা ইউক্রেন ব্যর্থ করে দিয়েছে

Update Time : ০৫:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

ডনবাসের বিভিন্ন শহরের রুশ বাহিনী অবিরাম গোলা বর্ষণ করছে। তবে ইউক্রেন বলছে, ডনবাস অঞ্চলে রুশ অগ্রাভিযানের আরও কয়েকটি চেষ্টা তারা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

পূর্ব ইউক্রেনের লুহান্সকের গভর্নর বলেছেন, ওই অঞ্চলে কোনো বিরতি ছাড়াই রুশরা তাদের গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। তবে তা সত্ত্বেও ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধ তারা ভাঙ্গতে পারেনি।

গভর্নর সেরহি হাইডাই জানিয়েছেন, লড়াই চলছে যেসব এলাকায়, সেখান থেকে বেসামরিক মানুষদের উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।

পাশের দুটি অঞ্চল দোনৎস্ক এবং খারকিভেও রুশরা নতুন করে তীব্র আক্রমণ চালাচ্ছে।

রাশিয়া দাবি করছে, তারা শত্রুপক্ষের চারশোর বেশি টার্গেটের ওপর গোলা হামলা চালিয়েছে।

ব্রিটেনের সামরিক গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মতে, রুশ বাহিনী এখনো সেখানে তীব্র প্রতিরোধের মুখোমুখি হচ্ছে।

ওদিকে রাশিয়া দাবি করছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এপর্যন্ত ইউক্রেন থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাশিয়ায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, এদের মধ্যে এক লাখ ২০ হাজার বিদেশি নাগরিক, এবং বিচ্ছিন্ন দুটি প্রজাতন্ত্র দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক থেকে উদ্ধার করে আনা মানুষও রয়েছে।

ইউক্রেন বারবার এরকম অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়া জোর করে এসব মানুষদের নিয়ে গেছে এবং তাদের জিম্মি হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইউক্রেনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে বলেছেন, রাশিয়া এর আগে যুদ্ধবন্দী বিনিময়ের জন্য এই বেসামরিক জিম্মিদের ব্যবহার করেছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের সেনারা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম সপ্তাহে জেলেনস্কি ছিলেন তটস্থ। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি জেনারেলদের কাছ থেকে হালনাগাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইতেন। পরে অবশ্য তিনি যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার এ সময় বদলে ফেলেন। এরপর থেকে তিনি ঘুম থেকে উঠে সবার আগে সকালের খাবার খেয়ে নেন। এরপর তিনি গিয়ে বসে নিজের কার্যালয়ে। সূত্র: বিবিসি