ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই, ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল ফরিদপুরে মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ঔষধ ও সরঞ্জাম, অপসারনের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।। মানববন্ধন ওবিক্ষোভ ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় আগুন, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৪ অক্টোবর ২০২৬ ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৬০৮

ডলারের ওপর চাপ কমাতে টাকা ও রুপিতে লেনদেন করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩
  • ৩০৭ Time View
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সংকটে পরে অনেক দেশ। এমন অবস্থায় ডলারের ওপর চাপ কমাতে টাকা ও রুপিতে লেনদেন করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। এজন্য অ্যাকাউন্ট খোলা হবে সোনালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও আইসিআইসিআই ব্যাংকে।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি পেলে টাকা কিংবা রুপিতে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্ভব হবে। এতে ডলারের ওপর চাপ কমে আসবে।
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আমাদের ডলারের ওপর যে চাপ আছে সেটি কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিতে আমরা ডলার ছাড়াও অন্য মুদ্রা ব্যবহার করতে পারছি, এটি একটি বড় সুবিধা।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলছেন, বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় অনেক দেশই বিকল্প মুদ্রায় লেনদেন করছে। খরচ কমাতে দিল্লির প্রস্তাব বিবেচনায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকবার মুদ্রাকে রূপান্তর করতে হয়। এই ধরনের পরিবর্তনকে কমানোর জন্য সরাসরি টাকা-রুপি লেনদেনের বিষয়টি চিন্তা করা হয়েছে। ভারতের যে প্রস্তাব, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি। এতে আমাদের জন্য খরচ হয়তো অনেক কমানো সম্ভব হবে।
দুই দেশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে, এই প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন তারা।
পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক এবং অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমদানি-রপ্তানি দুই ক্ষেত্রেই লেনদেন রুপিতে হলে সমস্যা নেই। তবে অন্য দেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করে ভারতে রপ্তানি করলে কিন্তু লেনদেনের খরচ বাড়বে।
বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে আমদানির পরিমান ১৩ বিলিয়নেরও বেশি।
Tag :
জনপ্রিয়

ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই,

ডলারের ওপর চাপ কমাতে টাকা ও রুপিতে লেনদেন করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত

Update Time : ০৩:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সংকটে পরে অনেক দেশ। এমন অবস্থায় ডলারের ওপর চাপ কমাতে টাকা ও রুপিতে লেনদেন করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। এজন্য অ্যাকাউন্ট খোলা হবে সোনালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও আইসিআইসিআই ব্যাংকে।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি পেলে টাকা কিংবা রুপিতে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্ভব হবে। এতে ডলারের ওপর চাপ কমে আসবে।
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আমাদের ডলারের ওপর যে চাপ আছে সেটি কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিতে আমরা ডলার ছাড়াও অন্য মুদ্রা ব্যবহার করতে পারছি, এটি একটি বড় সুবিধা।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলছেন, বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় অনেক দেশই বিকল্প মুদ্রায় লেনদেন করছে। খরচ কমাতে দিল্লির প্রস্তাব বিবেচনায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকবার মুদ্রাকে রূপান্তর করতে হয়। এই ধরনের পরিবর্তনকে কমানোর জন্য সরাসরি টাকা-রুপি লেনদেনের বিষয়টি চিন্তা করা হয়েছে। ভারতের যে প্রস্তাব, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি। এতে আমাদের জন্য খরচ হয়তো অনেক কমানো সম্ভব হবে।
দুই দেশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে, এই প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন তারা।
পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক এবং অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমদানি-রপ্তানি দুই ক্ষেত্রেই লেনদেন রুপিতে হলে সমস্যা নেই। তবে অন্য দেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করে ভারতে রপ্তানি করলে কিন্তু লেনদেনের খরচ বাড়বে।
বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে আমদানির পরিমান ১৩ বিলিয়নেরও বেশি।