ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বিশ্ব হৃদরোগ দিবস আজ বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম আরও কমানো হয়েছে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: এমপির জামাতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধ ও ওষুধ তৈরির উপাদানে কোনো অ্যাড ভ্যালোরেম শুল্ক নেবে না যুক্তরাষ্ট্র পরিত্যক্ত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ, সেমিতে বাংলাদেশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দেশের বাজারে ২ হাজার টাকার ওপরে কমেছে স্বর্ণের দাম ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুসিচ

পদ্মা পাড়ের লাখো কোটি মানুষ ‘পদ্মাকন্যা শেখ হাসিনাকে’ চোখের দেখার জন্য অপেক্ষা করে আছে: আব্দুর রহমান

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদ্মাকন্যা উপাধি দিলেন দলটির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন, প্রিয় আপা পদ্মা আপনার জন্য অধীর আগ্রহে আছে। পদ্মা পাড়ের লাখো কোটি মানুষ ‘পদ্মাকন্যা শেখ হাসিনাকে’ চোখের দেখার জন্য অপেক্ষা করে আছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।

আব্দুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, অনেকে বলছে উৎসব বন্ধ করতে হবে তাদের জবাবে তিনি বলেন, প্রিয় নেত্রী আপনি ধারণাই করতে পারবেন না। ওখানে শুধু মানুষের সমাবেশ হবে না, ওখানে উৎসবের সমাবেশ হবে। ওখানে আনন্দের জোয়ারে নতুন পদ্মা সৃষ্টি হবে, সেই অপেক্ষায় আছে মানুষ। পদ্মা সেতু পারাপারের মধ্য দিয়ে ৭৫ এর খুনিদের জবাব দেবো আমরা।

পদ্মা সেতুর সমালোচনা করায় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেদিন একজন বলেছিলেন এখানে ফেরি রাখার দরকার নাই। এটা দৌলতদিয়া পাটুরিয়া পাঠালেই হয়। আমি বললাম, না ভাই কিছু ফেরি রাখার দরকার আছে। কারণ খালেদা জিয়ারা তো এই পদ্মায় উঠবে না। ওদের পার হতে হলে এই ফেরিতেই পার হতে হবে। এজন্য ওদের জন্য কয়েকটা ফেরি রেখে দেওয়া দরকার।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিকভাবে জিয়ার রাজনৈতিক বংশ সমূলে উৎপাটন করতে হবে। এই অপশক্তি বাংলাদেশকে মানে না। ওরা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে যেতে চায় না। ওরা ৭ ই মার্চকে স্বীকার করে না, ২৬ মার্চকে স্বীকার করে না, ১৬ ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালন করে না। অথচ ওরা নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে। জিয়াউর রহমান সেদিন সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র নামানোর এক পর্যায়ে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে ওই মুক্তিযুদ্ধে নাম লিখিয়েছিল।

বিএনপির সাথে আপোস নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেদিন একটা জায়গায় আমাকে বলেছে আপনার মিলে মিশে থাকতে পারেন না, শুধু এক দল আর এক দলের সমালোচনা করেন তাদের বললাম, আমরা যারা খুনের স্বীকার হয়েছি, যারা আমাদের খুন করেছে, সেই খুনিদের সাথে তো খুনের স্বীকার হওয়ারা মানুষদের সহঅবস্থান থাকতে পারে না। হয় ওরা থাকবে, না হলে আমরা থাকবো, এর মাঝে আর কোন পথ নাই।

Tag :

বিশ্ব হৃদরোগ দিবস আজ

পদ্মা পাড়ের লাখো কোটি মানুষ ‘পদ্মাকন্যা শেখ হাসিনাকে’ চোখের দেখার জন্য অপেক্ষা করে আছে: আব্দুর রহমান

Update Time : ০৫:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদ্মাকন্যা উপাধি দিলেন দলটির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন, প্রিয় আপা পদ্মা আপনার জন্য অধীর আগ্রহে আছে। পদ্মা পাড়ের লাখো কোটি মানুষ ‘পদ্মাকন্যা শেখ হাসিনাকে’ চোখের দেখার জন্য অপেক্ষা করে আছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।

আব্দুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, অনেকে বলছে উৎসব বন্ধ করতে হবে তাদের জবাবে তিনি বলেন, প্রিয় নেত্রী আপনি ধারণাই করতে পারবেন না। ওখানে শুধু মানুষের সমাবেশ হবে না, ওখানে উৎসবের সমাবেশ হবে। ওখানে আনন্দের জোয়ারে নতুন পদ্মা সৃষ্টি হবে, সেই অপেক্ষায় আছে মানুষ। পদ্মা সেতু পারাপারের মধ্য দিয়ে ৭৫ এর খুনিদের জবাব দেবো আমরা।

পদ্মা সেতুর সমালোচনা করায় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেদিন একজন বলেছিলেন এখানে ফেরি রাখার দরকার নাই। এটা দৌলতদিয়া পাটুরিয়া পাঠালেই হয়। আমি বললাম, না ভাই কিছু ফেরি রাখার দরকার আছে। কারণ খালেদা জিয়ারা তো এই পদ্মায় উঠবে না। ওদের পার হতে হলে এই ফেরিতেই পার হতে হবে। এজন্য ওদের জন্য কয়েকটা ফেরি রেখে দেওয়া দরকার।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিকভাবে জিয়ার রাজনৈতিক বংশ সমূলে উৎপাটন করতে হবে। এই অপশক্তি বাংলাদেশকে মানে না। ওরা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে যেতে চায় না। ওরা ৭ ই মার্চকে স্বীকার করে না, ২৬ মার্চকে স্বীকার করে না, ১৬ ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালন করে না। অথচ ওরা নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে। জিয়াউর রহমান সেদিন সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র নামানোর এক পর্যায়ে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে ওই মুক্তিযুদ্ধে নাম লিখিয়েছিল।

বিএনপির সাথে আপোস নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেদিন একটা জায়গায় আমাকে বলেছে আপনার মিলে মিশে থাকতে পারেন না, শুধু এক দল আর এক দলের সমালোচনা করেন তাদের বললাম, আমরা যারা খুনের স্বীকার হয়েছি, যারা আমাদের খুন করেছে, সেই খুনিদের সাথে তো খুনের স্বীকার হওয়ারা মানুষদের সহঅবস্থান থাকতে পারে না। হয় ওরা থাকবে, না হলে আমরা থাকবো, এর মাঝে আর কোন পথ নাই।