ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
৬০ বছর পর আরও একবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফিরে এসেছে মেটার ডেস্কটপ ভার্সন, কী হয়েছিল শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ আসামি ৪০ জনের বেশি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা ফরিদপুরে ব্যক্তি অর্থায়নে নির্মিত কয়েকটি নান্দনিক স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ সড়ক বিভাগের ৬-৪ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করে থমাস টুখেলের শিষ্যরা ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাসে লিখে দিয়েছে এক বিব্রতকর অধ্যায় কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইরানের ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা বাড়ছে, ইসরায়েলে আসছে একাধিক রিফুয়েলিং বিমান! ভাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি, আতঙ্কে পরিবার

ফরিদপুরে ব্যক্তি অর্থায়নে নির্মিত কয়েকটি নান্দনিক স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ সড়ক বিভাগের

ফরিদপুরে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত আলীপুর গোরস্থান চত্বরসহ শহরের কয়েকটি সৌন্দর্যবর্ধনমূলক স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
পোস্টে জুয়েল বলেন, দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল নিজ অর্থায়নে ফরিদপুর শহরকে সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে একটি মডেল শহর হিসেবে গড়ে তোলা। সে লক্ষ্যেই সড়ক বিভাগের লিখিত ও মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতে তিনি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইল্যান্ডে সৌন্দর্যবর্ধনমূলক স্থাপনা নির্মাণ করেন। এসব স্থাপনা ফরিদপুরবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে এবং সারাদেশেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাকে ফোন করে জানান, এক প্রভাবশালী নেতার চাপের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ স্থাপনাগুলো অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাহী প্রকৌশলী তাকে নিজ উদ্যোগে স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলতে অনুরোধ করেন। জুয়েল জানান, তিনি এ প্রস্তাবে সম্মতি দেননি। বরং বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীকে অনুরোধ করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, স্থাপনাগুলোর নির্মাণে অর্থায়ন তিনি করলেও নির্মাণ শেষে সেগুলো ফরিদপুরবাসীর সম্পদে পরিণত হয়েছে। তাই বিষয়টি তিনি জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন রাখেন, এসব সৌন্দর্যবর্ধনমূলক স্থাপনা সংরক্ষিত থাকবে, নাকি ব্যক্তি আক্রোশের কারণে ভেঙে ফেলা হবে—সে সিদ্ধান্ত এখন ফরিদপুরবাসীর।
ইত্যোমধ্যে এই সিদ্ধান্তে সাধরণ জনগণের মধ্যে সামাজিক যোগাোযোগ মাধ্যমে  মিশ্র্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা এই স্থাপনাগুলোকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছে। আর এই স্থাপনাগুলো শহরের সৌন্দর্যবৃদ্ধির সাথে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছে। বিশেষত ফরিদপুরের অনাথের মোড়ের স্থাপনাটি নিমাণর্নের পূর্বে অনেক সড়ক দূর্ঘটনা সংঘঠিত হয়েছিল। এখন অনেকটাই শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। তাদের মন্তব্য হচ্ছে স্থাপনাগুলো যথাযথ অনুমতি ছাড়া করতে দেয়া হলো কেন? আর যথাযথ নিয়মমেনে  করলে নান্দনিক এই স্থাপনাগুলো এখন ভাঙতে হবে কেন? অনেকে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দরকার হলে আন্দোলন করবে বলেো জানিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
Tag :
জনপ্রিয়

৬০ বছর পর আরও একবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা

ফরিদপুরে ব্যক্তি অর্থায়নে নির্মিত কয়েকটি নান্দনিক স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ সড়ক বিভাগের

Update Time : ০১:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত আলীপুর গোরস্থান চত্বরসহ শহরের কয়েকটি সৌন্দর্যবর্ধনমূলক স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
পোস্টে জুয়েল বলেন, দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল নিজ অর্থায়নে ফরিদপুর শহরকে সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে একটি মডেল শহর হিসেবে গড়ে তোলা। সে লক্ষ্যেই সড়ক বিভাগের লিখিত ও মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতে তিনি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইল্যান্ডে সৌন্দর্যবর্ধনমূলক স্থাপনা নির্মাণ করেন। এসব স্থাপনা ফরিদপুরবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে এবং সারাদেশেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাকে ফোন করে জানান, এক প্রভাবশালী নেতার চাপের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ স্থাপনাগুলো অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাহী প্রকৌশলী তাকে নিজ উদ্যোগে স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলতে অনুরোধ করেন। জুয়েল জানান, তিনি এ প্রস্তাবে সম্মতি দেননি। বরং বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীকে অনুরোধ করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, স্থাপনাগুলোর নির্মাণে অর্থায়ন তিনি করলেও নির্মাণ শেষে সেগুলো ফরিদপুরবাসীর সম্পদে পরিণত হয়েছে। তাই বিষয়টি তিনি জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন রাখেন, এসব সৌন্দর্যবর্ধনমূলক স্থাপনা সংরক্ষিত থাকবে, নাকি ব্যক্তি আক্রোশের কারণে ভেঙে ফেলা হবে—সে সিদ্ধান্ত এখন ফরিদপুরবাসীর।
ইত্যোমধ্যে এই সিদ্ধান্তে সাধরণ জনগণের মধ্যে সামাজিক যোগাোযোগ মাধ্যমে  মিশ্র্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা এই স্থাপনাগুলোকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছে। আর এই স্থাপনাগুলো শহরের সৌন্দর্যবৃদ্ধির সাথে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছে। বিশেষত ফরিদপুরের অনাথের মোড়ের স্থাপনাটি নিমাণর্নের পূর্বে অনেক সড়ক দূর্ঘটনা সংঘঠিত হয়েছিল। এখন অনেকটাই শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। তাদের মন্তব্য হচ্ছে স্থাপনাগুলো যথাযথ অনুমতি ছাড়া করতে দেয়া হলো কেন? আর যথাযথ নিয়মমেনে  করলে নান্দনিক এই স্থাপনাগুলো এখন ভাঙতে হবে কেন? অনেকে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দরকার হলে আন্দোলন করবে বলেো জানিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।