ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধ্যমিকে আলাদা বিভাগ থাকবে না ২০২২ সাল থেকে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০
  • ৬১৪ Time View

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, মাধ্যমিকের নতুন শিক্ষাক্রমে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার মতো আলাদা বিভাগ থাকছে না। সব শিক্ষার্থী সব ধরনের শিক্ষা নিয়ে ১০ বছর পড়বে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিল পাসের জন্য সংসদে তোলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সে সময় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম ২০২২ সাল থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে।

পরে সামরিক শাসনামলে প্রণীত মাদ্রাসা শিক্ষা অধ্যাদেশ বাতিল করে ‘বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিল-২০২০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়। বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া জনমত যাচাই–বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

এত দিন ১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশ অনুসারে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড চলছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সামরিক শাসনামলে প্রণীত যেসব আইন বা অধ্যাদেশের এখনো প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলোকে পরিমার্জন করে বাংলায় রূপান্তরের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে জন্য এ আইন করা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত

Tag :

মাধ্যমিকে আলাদা বিভাগ থাকবে না ২০২২ সাল থেকে

Update Time : ০৭:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, মাধ্যমিকের নতুন শিক্ষাক্রমে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার মতো আলাদা বিভাগ থাকছে না। সব শিক্ষার্থী সব ধরনের শিক্ষা নিয়ে ১০ বছর পড়বে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিল পাসের জন্য সংসদে তোলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সে সময় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম ২০২২ সাল থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে।

পরে সামরিক শাসনামলে প্রণীত মাদ্রাসা শিক্ষা অধ্যাদেশ বাতিল করে ‘বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিল-২০২০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়। বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া জনমত যাচাই–বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

এত দিন ১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশ অনুসারে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড চলছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সামরিক শাসনামলে প্রণীত যেসব আইন বা অধ্যাদেশের এখনো প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলোকে পরিমার্জন করে বাংলায় রূপান্তরের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে জন্য এ আইন করা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত