ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বেশির ভাগ সবজির

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:১৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩
  • ২২৯ Time View

নিত্যপণ্যের দামে দীর্ঘদিন ধরেই হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে বেশির ভাগ সবজির দাম সেঞ্চুরিতে ঠেকেছে। পেঁপে ও শসা ছাড়া ৮০ টাকার নিচে সবজি নেই বললেই চলে। সেই সঙ্গে মাছ-মাংস, ডিম, আলু, পেঁয়াজসহ সব ধরনের মসলাতেও বেড়েছে দাম। ঊর্ধ্বমুখী এ বাজারে দাম কমার কোনো লক্ষণও নেই।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিকেজি বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স-পটোল-চিচিঙা-ঝিঙা-কাঁকরোল ৮০ টাকা, শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কচুরমুখী ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং গাজর ও টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরকারি নির্ধারিত দরে ট্রাকসেলে (খোলাবাজার) ডিম বিক্রি শুরু হওয়ায় বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজনে পাঁচ থেকে ১০ টাকা কমে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানভেদে পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। অল্প কম-বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চাষের কই ও তেলাপিয়া। এক কেজির রুই-কাতলার দাম হাঁকানো হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি। দুই থেকে আড়াই কেজির রুই-কাতলার দাম কেজিতে ৩৭৫ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া স্থানভেদে শোল মাছ প্রতি কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা এবং শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি প্রকারভেদে ৬০০-৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। এছাড়া সোনালি জাতের মুরগির কেজি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা। পাকিস্তানি মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি কিনতে কেজিতে খরচ হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। কিছু স্থানে ৭০০ টাকাও বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। স্থানভেদে কম-বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্প্রতি সারাদেশে টানা বৃষ্টিতে সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঢাকার বাজারগুলোতে সরবরাহ কমে গেছে। এতে সবজির দাম বেড়ে গেছে।

পাইকারি বিক্রেতারা জানান, সম্প্রতি ভারী বর্ষণে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, বগুড়া, যশোর ও কুষ্টিয়ার আশপাশের সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব স্থান থেকে রাজধানীতে বেশির ভাগ সবজি আসে।

সাকিব নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রত্যেকটি পণ্যের দাম অনেক বেশি। ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও অনেক। তাই, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সাঈদ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। নির্ধারিত বেতন দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারে কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

Tag :

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বেশির ভাগ সবজির

Update Time : ০৩:১৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩

নিত্যপণ্যের দামে দীর্ঘদিন ধরেই হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে বেশির ভাগ সবজির দাম সেঞ্চুরিতে ঠেকেছে। পেঁপে ও শসা ছাড়া ৮০ টাকার নিচে সবজি নেই বললেই চলে। সেই সঙ্গে মাছ-মাংস, ডিম, আলু, পেঁয়াজসহ সব ধরনের মসলাতেও বেড়েছে দাম। ঊর্ধ্বমুখী এ বাজারে দাম কমার কোনো লক্ষণও নেই।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিকেজি বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স-পটোল-চিচিঙা-ঝিঙা-কাঁকরোল ৮০ টাকা, শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কচুরমুখী ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং গাজর ও টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরকারি নির্ধারিত দরে ট্রাকসেলে (খোলাবাজার) ডিম বিক্রি শুরু হওয়ায় বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজনে পাঁচ থেকে ১০ টাকা কমে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানভেদে পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। অল্প কম-বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চাষের কই ও তেলাপিয়া। এক কেজির রুই-কাতলার দাম হাঁকানো হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি। দুই থেকে আড়াই কেজির রুই-কাতলার দাম কেজিতে ৩৭৫ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া স্থানভেদে শোল মাছ প্রতি কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা এবং শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি প্রকারভেদে ৬০০-৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। এছাড়া সোনালি জাতের মুরগির কেজি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা। পাকিস্তানি মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি কিনতে কেজিতে খরচ হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। কিছু স্থানে ৭০০ টাকাও বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। স্থানভেদে কম-বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্প্রতি সারাদেশে টানা বৃষ্টিতে সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঢাকার বাজারগুলোতে সরবরাহ কমে গেছে। এতে সবজির দাম বেড়ে গেছে।

পাইকারি বিক্রেতারা জানান, সম্প্রতি ভারী বর্ষণে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, বগুড়া, যশোর ও কুষ্টিয়ার আশপাশের সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব স্থান থেকে রাজধানীতে বেশির ভাগ সবজি আসে।

সাকিব নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রত্যেকটি পণ্যের দাম অনেক বেশি। ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও অনেক। তাই, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সাঈদ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। নির্ধারিত বেতন দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারে কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।